ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ জ্যাকুলিন


সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ জ্যাকুলিন

২০০ কোটি টাকার আর্থিক প্রতারণা মামলায় নতুন অগ্রগতি দেখা দিয়েছে। বলিউডের অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ এবার দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। তিনি তাঁর বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, তা চ্যালেঞ্জ করেই এই আবেদন করেছেন।

অভিযোগ রয়েছে যে, প্রতারক সুকেশ চন্দ্রশেখরের কাছ থেকে জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ একাধিক দামি উপহার গ্রহণ করেছেন। মামলাটি বর্তমানে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর তদন্তাধীন রয়েছে।

এর আগে দিল্লির পাটিয়ালা হাউস কোর্টের অতিরিক্ত দায়রা বিচারক প্রশান্ত শর্মা ৩০ মে এক নির্দেশের মাধ্যমে জ্যাকুলিনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের অনুমতি দিয়েছেন। আদালতের পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ইডি-র জমা দেওয়া তথ্য ও নথির ভিত্তিতে মনে হচ্ছে, প্রাথমিকভাবে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তি রয়েছে। আদালতের মতে, এ ধরনের কিছু প্রমাণ রয়েছে যা নিশ্চিত করে যে, তিনি অপরাধলব্ধ অর্থের সুবিধা পেয়েছিলেন এবং সেই অর্থের উৎস সম্পর্কে তিনি অবগত ছিলেন।

আরও পড়ুন: ইউপি নির্বাচনে বিএনপির দুই পক্ষে সংঘর্ষ, দুজন গুলিবিদ্ধসহ আহত ৩

এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে জ্যাকুলিন সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছেন। মঙ্গলবার তাঁর আইনজীবী জরুরি ভিত্তিতে শুনানির আবেদন জানান। পরে বিচারপতি পি. কে. মিশ্র এবং বিচারপতি এ. এস. চন্দুরকরের বেঞ্চ মামলাটি শুনতে সম্মত হন।

আদালত এই মামলার শুনানির জন্য আগামী ১১ জুন তারিখ নির্ধারণ করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাক-আফগান সীমান্তে কেন দফায় দফায় ঝরছে প্রাণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:০৯ পি.এম


পাক-আফগান সীমান্তে কেন দফায় দফায় ঝরছে প্রাণ

পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমান্তবর্তী এলাকায় গত কয়েক মাসের তুলনামূলক শান্ত পরিস্থিতি ভেঙে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। সবসময় আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার বার্তা দিয়ে দুই দেশই একে অপরের প্রতি পাল্টা অভিযোগ চালিয়ে যেত।

এর মধ্যে আফগান সীমান্তে একদিনেই দুবার ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। এতে অন্তত ৩৯ জনের প্রাণহানি হয়েছে।

আফগানিস্তানের তালেবান সরকার জানিয়েছে, পাকিস্তানি বিমান হামলায় কুনার, খোস্ত ও পাকতিকা প্রদেশে অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১১ শিশু, একজন নারী এবং একজন বৃদ্ধ রয়েছেন বলে দাবি করেছেন তালেবান মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ।

অন্যদিকে পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার বলেছেন, সীমান্তবর্তী চারটি লক্ষ্যবস্তুতে ‘পরিকল্পিত ও নির্দিষ্ট’ হামলা চালানো হয়েছে। তার দাবি, এসব হামলায় ২৬ জন সশস্ত্র যোদ্ধা নিহত হয়েছেন এবং একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও গোলাবারুদের গুদাম ধ্বংস করা হয়েছে।

বুধবার এক বিবৃতিতে তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ বলেন, সাম্প্রতিক পাকিস্তানে সংঘটিত সন্ত্রাসী হামলার জবাব হিসেবে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, সীমান্তের ওপারে থাকা সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর ঘাঁটি ও নিরাপদ আশ্রয়স্থলগুলোকে লক্ষ্য করেই হামলা চালানো হয়েছে।

তবে পাকিস্তান সবসময় আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে চেয়েছে। নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার বলে স্পষ্ট জানান তিনি।

পাল্টাপাল্টি দোষারোপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পাকিস্তান অভিযোগ করে আসছে, আফগানিস্তানের ভূখণ্ডে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো আশ্রয় পায় এবং সেখান থেকে পাকিস্তানে হামলা চালানো হয়। তবে তালেবান সরকার এ অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছে।

কাবুল স্পষ্ট জানিয়েছে, আফগান ভূখণ্ড কোনো প্রতিবেশী দেশের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হচ্ছে না। একই সঙ্গে অন্য দেশের নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করার অনুমতি কাউকে দেওয়া হয়নি।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সীমান্ত এলাকায় ভয়াবহ সংঘর্ষে শতাধিক মানুষ নিহত হওয়ার পর দুই দেশের সম্পর্ক তীব্র উত্তেজনার মধ্যে পড়ে। পরে গত অক্টোবর মাসে উভয় পক্ষ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়, যার ফলে কয়েক মাস ধরে পরিস্থিতি তুলনামূলক শান্ত ছিল।

তবে সর্বশেষ বিমান হামলার ঘটনায় সেই যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক মহল ইতোমধ্যে দুই দেশকে সংযম প্রদর্শন এবং উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানিয়েছে।

উন্মুক্ত যুদ্ধ

পাকিস্তানের সাম্প্রতিক হামলা আফগানিস্তান-পাকিস্তান সীমান্তে চলমান তুলনামূলক শান্ত পরিস্থিতিকে ভেঙে দিয়েছে। চলতি বছরের শুরুতে দুই দক্ষিণ এশীয় প্রতিবেশী দেশের মধ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার পর সীমান্তে উত্তেজনা অব্যাহত ছিল।

বার্তা সংস্থা ডয়েচে ভেলে বলছে, ফেব্রুয়ারিতে ইসলামাবাদ ঘোষণা দেয় যে তারা কাবুলের সঙ্গে ‘উন্মুক্ত যুদ্ধে’ রয়েছে। পাকিস্তানের দাবি, দেশটির ভেতরে বেসামরিক নাগরিক ও নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর জঙ্গি হামলা বেড়ে যাওয়ার পেছনে আফগানিস্তানে আশ্রয় নেওয়া সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো দায়ী।

পাকিস্তান অভিযোগ করে যে আফগানিস্তান তাদের ভূখণ্ডে হামলা চালানো জঙ্গিদের আশ্রয় দিচ্ছে। তবে তালেবান সরকার এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদ সমস্যা সম্পূর্ণ তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়।

এর পর মার্চ মাসে চীনের মধ্যস্থতায় অনুষ্ঠিত শান্তি আলোচনায় দুই দেশ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়।

এদিকে জাতিসংঘের গত মাসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে এই সংঘাতে অন্তত ৩৭২ জন আফগান বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং আরও ৩৯৭ জন আহত হয়েছেন।

উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্ক

আফগানিস্তানের খোস্ত প্রদেশের এক কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, স্পেরা জেলায় একটি বাড়িতে হামলা চালানো হলে নয়জন নিহত এবং আরও ১০ জন আহত হন।

প্রতিবেশী পাকতিকা প্রদেশে স্থানীয় বাসিন্দারা এএফপিকে জানান, বারমাল জেলায় আরেকটি হামলায় তিনজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। সেখানকার এক বাসিন্দার ভাষ্য অনুযায়ী, বিমান হামলাটি একটি বাড়িতে আঘাত হানে এবং নিহতদের মধ্যে শিশু ছিল।

বার্তা সংস্থা আলজাজিরা জানায়, এই হামলাগুলোর ঠিক একদিন আগে আফগানিস্তান সীমান্তবর্তী পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিম প্রদেশ খাইবার পাখতুনখোয়ার হাসান খেল এলাকায় সন্দেহভাজন তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) জঙ্গিদের একটি নিরাপত্তা চৌকিতে হামলা চালানো হয়।

পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ওই হামলার পর তীব্র বন্দুকযুদ্ধ শুরু হয়, যাতে ফেডারেল কনস্ট্যাবুলারির (পাকিস্তানের প্রধান আধা-সামরিক ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী) ছয় সদস্য নিহত এবং আরও কয়েকজন আহত হন।

২০২১ সালে তালেবান দ্বিতীয়বারের মতো আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখলের পর থেকেই পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সম্পর্ক উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে আফগানিস্তান পাকিস্তানের বিমান হামলার প্রতিশোধ হিসেবে সীমান্ত পেরিয়ে হামলা চালানোর পর দুই দেশের মধ্যে সংঘাত আরো তীব্র আকার ধারণ করে।

সব মিলিয়ে সীমান্ত নিরাপত্তা, সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর উপস্থিতি এবং পারস্পরিক অবিশ্বাসের কারণে পাকিস্তান-আফগানিস্তান সম্পর্ক এখনো অত্যন্ত স্পর্শকাতর অবস্থায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা। তারা বলছেন, সর্বশেষ এই হামলা দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চিকিৎসক-রোগী মুখোমুখি দাঁড় করানোর ষড়যন্ত্র চলছে: ডা. রফিকূল ইসলাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:১১ পি.এম


চিকিৎসক-রোগী মুখোমুখি দাঁড় করানোর ষড়যন্ত্র চলছে: ডা. রফিকূল ইসলাম

চিকিৎসকদের নিয়ে কটূক্তি, কর্মস্থলে চিকিৎসকদের ওপর ন্যাক্কারজনক হামলা এবং স্বাস্থ্যখাতকে কেন্দ্র করে গভীর ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদ জানাতে রাজধানী ঢাকার শাহবাগে চিকিৎসকরা মানববন্ধন অনুষ্ঠিত করেছেন।

বুধবার (১০ জুন) দুপুরের এই মানববন্ধনে বক্তারা স্বাস্থ্যখাতের সমস্যা নিয়ে গঠনমূলক সমালোচনা, জবাবদিহি ও সংস্কারের দাবি একেবারে গ্রহণযোগ্য বলে ব্যক্ত করেন।

মানববন্ধনে বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মো. রফিকূল ইসলাম বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, "গঠনমূলক সমালোচনা আমরা স্বাগত জানাই। স্বাস্থ্যখাতে সমস্যা থাকলে তা নিয়ে আলোচনা হোক, জবাবদিহি হোক, সংস্কার হোক।" কিন্তু উল্লিখিত মিথ্যা তথ্য, বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্য, অপমানজনক ভাষা এবং চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে জনমনে ঘৃণা তৈরির প্রচেষ্টা কোন ভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, চিকিৎসকদের বিপক্ষে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চলছে কি না, তার খতিয়ে দেখার প্রয়োজন রয়েছে। এছাড়াও এর পেছনে কোনো বিশেষ স্বার্থগোষ্ঠী বা বহিঃশক্তির সুবিধা জড়িত আছে কি না তা নিয়েও তদন্ত হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন।

ডা. রফিকূল ইসলাম বলেন, "২০২৩ সাল পর্যন্ত পার্শ্ববর্তী একটি দেশে চিকিৎসা নিতে যাওয়া বিদেশিদের প্রায় ৭০ শতাংশ ছিল বাংলাদেশি। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পরে সেই ব্যবসার ক্ষেত্রে ধস নেমেছে। তাই চিকিৎসকদেরকে পরিকল্পিতভাবে সাধারণ মানুষের মুখোমুখি দাঁড় করানোর প্রচেষ্টা চলছে কি না, সেটি তদন্তের দাবি রাখে।"

তিনি আরও বলেন, "স্বাস্থ্যখাতকে দুর্বল করা মানে রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তিকে দুর্বল করা। চিকিৎসক ও রোগীকে প্রতিপক্ষ বানানো যাবে না। চিকিৎসক ও রোগী একই পক্ষের মানুষ। আমাদের সবার লক্ষ্য একটাই—মানুষের জীবন বাঁচানো।"

মানববন্ধনে অন্য বক্তারা সাংবাদিক মাসুদ কামালের সাম্প্রতিক বক্তব্যকে ঘৃণ্য, বিদ্বেষমূলক ও চিকিৎসক সমাজের জন্য অপমানজনক বলে উল্লেখ করেন। তারা তার বক্তব্য প্রত্যাহার করে চিকিৎসক সমাজ ও জাতির কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান। অন্যথায়, সরকারের কাছে এ ধরনের বক্তব্যের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান চিকিৎসক নেতারা, যাতে ভবিষ্যতে কেউ চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানোর চেষ্টা না করেন।

ডা. রেজওয়ান তাহসিন সীমান্তের সঞ্চালনায় এ সময় বক্তব্য রাখেন বিএমইউর প্রো-ভিসি অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম, ওজিএসবির সভাপতি অধ্যাপক ডা. ফিরোজা বেগম, ঢাকা মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মুসাররাত সুলতানা, বিএমইউর ইউরোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সাইফুল ইসলাম সেলিম, কার্ডিয়াক সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. শফিউদ্দিন, রেডিওলজি ও ইমেজিং সোসাইটি সিনিয়র সহসভাপতি অধ্যাপক ডা. মিয়া ওয়াহিদুজ্জামান, সোসাইটি অফ মেডিসিনের সদস্য সচিব অধ্যাপক ডা. জাকারিয়া আল আজিজ, সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের উপ প্রকল্প পরিচালক সহযোগী অধ্যাপক ডা. লোহানী তাজুল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক ডা. মাহমুদুর রহমান নোমান, ঢাকা মেডিকেল কলেজ শিক্ষক সমিতির সদস্য সচিব সহযোগী অধ্যাপক ডা. সামী আল হাসান ইমন, বিসিএস বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ফোরামের আহ্বায়ক সহযোগী অধ্যাপক ডা. মির্জা আসাদুজ্জামান রতন, ট্রান্সফিউশন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. তৌহিদুর রহমান আওয়াল, ডা. মমি আনসারীসহ অন্যান্য বক্তারা।

মানববন্ধনে অবস অ্যান্ড গাইনি সোসাইটি, সোসাইটি অব মেডিসিন, সোসাইটি অব রেডিওলজি, কার্ডিয়াক সোসাইটি অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ ইএনটি সোসাইটি, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইউরোলজিক্যাল সার্জন্স, সোসাইটি অব সার্জনসহ বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সোসাইটির সদস্য এবং চিকিৎসকরা অংশগ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনায় দক্ষতার প্রশংসা করলেন সৌদির মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:১১ পি.এম


বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনায় দক্ষতার প্রশংসা করলেন সৌদির মন্ত্রী

সৌদি আরবের হজ ও উমরাহ মন্ত্রী ড. তৌফিক বিন ফাউজান আল রাবিয়াহ ধর্ম মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের প্রশংসা করেছেন। তিনি ২০২৬ সালের হজ ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা ও সুশৃঙ্খলতার জন্য এই প্রশংসা জানান।

বুধবার (১০ জুন) সৌদি আরবের রিয়াদে, ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের সময় সৌদির মন্ত্রী এই প্রশংসা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, আগামীতে সার্বিক হজ ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে বাংলাদেশের সহায়তাও কামনা করেন।

এই বৈঠকে সৌদি আরবের হজ ও উমরাহ মন্ত্রী বাংলাদেশের ধর্মমন্ত্রীকে আন্তরিক নেতৃত্বের মাধ্যমে সেবা দেওয়ার জন্য অভিনন্দন জানান। এ সময় তিনি ধর্মমন্ত্রীর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকেও ধন্যবাদ জানান।

তৌফিক বিন ফাউজান আল রাবিয়াহ বৈঠকে ২০২৭ সালের হজ ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে সৌদি সরকারের গৃহীত নানা পদক্ষেপের কথাও তুলে ধরেন।

অপরদিকে, ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ সৌদি সরকারকে সামগ্রিক হজ ব্যবস্থাপনার উন্নয়নের জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি এবারের হজ ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রীদের নিরাপত্তা, যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ, ভিড় ব্যবস্থাপনা, তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহার, মাশায়েরে হাজী সেবার মাধ্যমে হজ পালনের সহায়ক পরিবেশ তৈরির জন্য সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ, ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান এবং সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, আল্লাহর মেহমানদের সেবায়, হজ ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে বাংলাদেশ সৌদি সরকারের পাশে থাকবে।

বৈঠকে সৌদিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ দেলওয়ার হোসেন ও কাউন্সিলর (হজ) কামরুল ইসলামসহ উভয় মন্ত্রণালয়ের কর্মকতারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পর্যটককে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে বন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চার্জশিট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:১২ পি.এম


পর্যটককে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে বন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চার্জশিট

বাগেরহাটের সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মো. মাহবুব হাসান ওরফে লালুসহ মোট পাঁচজনের বিরুদ্ধে পুলিশ আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেছে। এই অভিযোগপত্রটি ক্ষমতার অপব্যবহার, এক দর্শনার্থীকে মারধর করার এবং মিথ্যা অভিযোগে মামলাদায়ের অপরাধে সংক্রান্ত। দীর্ঘ দুই বছর তদন্তের পর এই অভিযোগপত্রটি দাখিল করা হয়।

গোপনে বাগেরহাটের শরণখোলা থানার পুলিশ গত বৃহস্পতিবার (১৬ মে) আদালতে এই চার্জশিটটি দাখিল করে। অভিযুক্ত অপর চারজন হলেন— বনরক্ষী মতিউর রহমান, আবুল হাসান, নাজমুল হক ও নজরুল ইসলাম।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৭ এপ্রিল মামলার বাদী মোহাম্মদ জুয়েল তার স্ত্রীকে নিয়ে ঢাকা থেকে শরণখোলা উপজেলার খুড়িয়াখালী এলাকায় শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে আসেন। সুন্দরবনে প্রবেশের বিষয়ে আলোচনার জন্য তিনি এসিএফ মাহবুব হাসানের সাথে যোগাযোগ করেন। পরে স্থানীয় বাজারের একটি চায়ের দোকান থেকে তাকে জোরপূর্বক বন অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে সরকারি গেজেট অনুযায়ী বনে প্রবেশের ফি জানতে চাইলে জুয়েলকে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে মারধর করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে নগদ টাকা, মোবাইল ফোন, স্বর্ণালঙ্কার ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র ছিনিয়ে নেয় অভিযুক্তরা।

পরবর্তীতে তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে গভীর সুন্দরবনের চরখালী ফরেস্ট অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চরখালী টহল ফাঁড়ির পুকুর ঘাটে অমানুষিক নির্যাতন করা হয় এবং গায়ে জোরপূর্বক কাদা মেখে ছবি তোলা হয়। এরপর বন আইনের একটি মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে তাকে আদালতে পাঠানো হয়। জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর জুয়েল চিকিৎসা গ্রহণ করেন এবং ২ মে আদালতে অভিযোগ দায়ের করেন।

আদালতের নির্দেশে অভিযোগটি থানায় মামলা হিসেবে রুজু হওয়ার পরে একটি দীর্ঘ তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়। বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. শামীম হোসেন তদন্ত শেষে এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করে গত ১৬ মে আদালতে পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন।

বাদী মোহাম্মদ জুয়েল বলেন, 'মামলা দায়েরের দীর্ঘ সময় পার হলেও পুলিশ তদন্তের মাধ্যমে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছে। মামলা দায়েরের পর থেকে আমাকে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দেয়া হচ্ছিল। তবে প্রাথমিকভাবে চার্জশিট দাখিল হওয়ায় আমি খুশি। আশা করছি আদালতের মাধ্যমে ন্যায়বিচার পাব।'

মামলায় বাদীপক্ষের আইনজীবী এনামুল হক জানান, পুলিশের দেয়া চার্জশিটের মাধ্যমে ন্যায়বিচারের পথ সুগম হয়েছে। বর্তমানে মামলার প্রধান অভিযুক্ত শেখ মাহবুব হাসান বন ভবনের সংস্থাপন ইউনিটে কর্মরত রয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%