প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টের কারণে আইসল্যান্ডের সরকার মার্কিন রাষ্ট্রদূত বিলি লংকে তলব করেছে। স্থানীয় সম্প্রচারমাধ্যম আরইউভি জানিয়েছে, সোমবার আইসল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী থোরগেরদুর গুনারসডটির নির্দেশে রাষ্ট্রদূতকে তলব করা হয়।বিলি লং গত মাসে আইসল্যান্ডে মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, গ্রিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, মেক্সিকো, মধ্য আমেরিকা ও ক্যারিবিয়ান অঞ্চলকে মার্কিন পতাকায় আবৃত করে একটি মানচিত্রে ‘ইউনাইটেড স্টেটস অব আমেরিকা’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আইসল্যান্ডের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরইউভিকে জানিয়েছে যে, রাষ্ট্রদূতকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে, ট্রাম্পের পোস্টটি ‘সম্পূর্ণ অনুপযুক্ত’।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর, কোপেনহেগেন ও রেইকিয়াভিকে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস এবং গ্রিনল্যান্ডের রাজধানী নুকে অবস্থিত মার্কিন কনস্যুলেট বিষয়টি নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। আইসল্যান্ডের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও পরবর্তীতে এ বিষয়ে অতিরিক্ত কোনো মন্তব্য করেনি। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের বিষয়ে ট্রাম্পের বক্তব্য যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্কের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। ট্রাম্পের এই অবস্থান ন্যাটোর সদস্য দেশগুলোর মধ্যেও উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।
এদিকে, গত মাসে আইসল্যান্ডে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউর সদস্যপদ নিয়ে আলোচনা পুনরায় শুরু করা হবে কি না, সে বিষয়ে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। গণভোটে আলোচনা পুনরায় শুরুর প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট পড়ে। ইইউর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের পক্ষে থাকা কিছু ব্যক্তি গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন।
বিশ্লেষকদের মতে, আইসল্যান্ডের অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক বিষয়গুলোই গণভোটের ফলাফলে বেশি প্রভাব ফেলেছে। ট্রাম্পের পোস্টটি এমন এক সময়ে এসেছে, যখন ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন গ্রিনল্যান্ড সফর করছিলেন।তার সফরের সময় ইউরোপীয় কমিশন গ্রিনল্যান্ডে ২০০ মিলিয়ন ইউরো বিনিয়োগের ঘোষণা দেয়।
ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন ডেনিশ সংবাদ সংস্থা রিৎজাউকে বলেন, ‘গ্রিনল্যান্ডের সরকার ও জনগণের অবস্থান স্পষ্ট। তারা বারবার জানিয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হতে চায় না।’ তিনি আরও বলেন, ‘গ্রিনল্যান্ড সরকার ও জনগণের এই অবস্থান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের কারও মনে কোনো সন্দেহ থাকা উচিত নয়।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন