প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষযাত্রা উপলক্ষে কর্তৃপক্ষ ১৯৮৯ সালের মতো বিশৃঙ্খলার পুনরাবৃত্তি এড়ানোর জন্য সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ (ইরনা) জানিয়েছে, তারা নিরাপত্তা ও জনসমাগম নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
১৯৮৯ সালে আলি খামেনির পূর্বসূরি ইমাম আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির জানাজা ও দাফানে প্রায় এক কোটি মানুষের সমাগম ঘটে। ওই সময় জনতার চাপে সৃষ্ট হুড়োহুড়িতে অন্তত ১০ জন নিহত হয় এবং ১০ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়।
সেই ঘটনার সবচেয়ে নাটকীয় মুহূর্ত ছিল যখন শোকাতুর জনতা খোমেনিকে বহনকারী যানবাহন ঘিরে ফেললে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। এ কারণে তাঁকে বহনকারী কফিনটি ভেঙে যায় এবং লাশটি মাটিতে পড়ে যায়। পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে কর্তৃপক্ষ হেলিকপ্টারের মাধ্যমে তাঁর লাশ দাফনের স্থানে নিয়ে যাওয়ার জন্য বাধ্য হয়।
সোমবারের শোকযাত্রায় সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ ও তারা কতটা কাছাকাছি যেতে পারবেন, সে সম্পর্কে এখনো স্পষ্ট কোনো তথ্য জানানো হয়নি। তবে অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে কর্তৃপক্ষ জনসমাগম নিয়ন্ত্রণে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে।
শেষযাত্রায় অংশগ্রহণকারী ৫৮ বছর বয়সী গোলামরেজা খানবাবাই মন্তব্য করেছেন, আমি যদি এই অনুষ্ঠানের সাথে ১৯৮৯ সালের অনুষ্ঠানটির তুলনা করি, তাহলে বলব দুটির মধ্যে তেমন কোনো পার্থক্য নেই। তবে এবার মানুষের উৎসাহ অনেক বেশি বলে মনে হচ্ছে।
সূত্র: টাইমস অব ইসরাইল
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন