ঢাকা শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঝুঁকিপূর্ণ খেকুয়ানী ব্রিজ অপসারণের দাবি, দুর্ভোগে অর্ধ-লক্ষ মানুষ


ঝুঁকিপূর্ণ খেকুয়ানী ব্রিজ অপসারণের দাবি, দুর্ভোগে অর্ধ-লক্ষ মানুষ

বরগুনার আমতলী উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নের খেকুয়ানী এলাকার দীর্ঘদিনের ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজটি অপসারণ করে দ্রুত নতুন ব্রিজ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বর্তমানে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় প্রায় ৫০ হাজার মানুষের যাতায়াতের একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ এই ব্রিজটি চরম দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে ভাড়ি যানবাহন, ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ও অ্যাম্বুলেন্স চলাচল করতে না পারায় জরুরি সেবা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই পুরোনো ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজটি সংস্কারের পরিবর্তে সম্পূর্ণ অপসারণ করে সেখানে নতুন ও টেকসই ব্রিজ নির্মাণের দাবি এখন এলাকাবাসীর প্রধান দাবি।

স্থানীয়রা জানান, খেকুয়ানী ব্রিজটি গুলিশাখালী ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষের যোগাযোগের অন্যতম প্রধান অবলম্বন। প্রতিদিন এ ব্রিজ দিয়ে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, কৃষক, শ্রমজীবী মানুষসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ চলাচল করেন। স্থানীয় বাজারের সঙ্গে আশপাশের এলাকার যোগাযোগ এবং কৃষিপণ্য পরিবহনেও ব্রিজটির গুরুত্ব অপরিসীম। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পড়ে থাকায় স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে পণ্যবাহী বড় যানবাহন চলাচল করতে না পারায় ব্যবসা-বাণিজ্য ও পণ্য পরিবহনে বাড়তি ভোগান্তি তৈরি হয়েছে।

ব্রিজটির বর্তমান অবস্থার কারণে সাধারণ মানুষের যাতায়াত বিঘ্নিত হচ্ছে না, জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়ার ক্ষেত্রেও বড় প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে। কোনো এলাকায় অগ্নিকাণ্ড, দুর্ঘটনা কিংবা গুরুতর অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে নেওয়ার প্রয়োজন হলে সময়মতো প্রয়োজনীয় যানবাহন পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়ে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ব্রিজটির কারণে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি পর্যন্ত চলাচল করতে পারে না। অ্যাম্বুলেন্স পারাপারেও রয়েছে প্রতিবন্ধকতা। ফলে সংকটময় মুহূর্তে মানুষের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

আরও পড়ুন: মাদক ও বেকারমুক্ত বান্দরবান গড়ার আহ্বান সাচিং প্রু জেরীর

সম্প্রতি খেকুয়ানী বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১২টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়ার ঘটনাটি ব্রিজটির সীমাবদ্ধতার বিষয়টি নতুন করে সামনে এনেছে। এলাকাবাসীর দাবি, আগুন লাগার পর ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারেনি। ফলে আগুন নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় সহায়তা পেতে সমস্যা হয় এবং ব্যবসায়ীরা চোখের সামনে তাঁদের দোকানপাট পুড়ে যেতে দেখেন। তাঁদের মতে, বাজার ও আশপাশের এলাকার নিরাপত্তার স্বার্থেও ব্রিজটি দ্রুত অপসারণ করে নতুন ব্রিজ নির্মাণ করা জরুরি। ভবিষ্যতে এমন কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে যেন জরুরি সেবার গাড়ি নির্বিঘ্নে ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারে, সে ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে ব্রিজটির ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার কথা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আনার চেষ্টা করা হলেও এখনো তাঁদের প্রত্যাশা অনুযায়ী কার্যকর সমাধান মেলেনি। সাময়িক মেরামত কিংবা সীমিত সংস্কার দিয়ে এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না বলে মনে করছেন তাঁরা। তাঁদের দাবি, প্রকৌশলগত পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে পুরোনো ব্রিজটি অপসারণ করতে হবে। একই সঙ্গে জনদুর্ভোগ বিবেচনায় নিয়ে নতুন ব্রিজ নির্মাণের প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিতে হবে। ব্রিজ নির্মাণের সময় যাতে স্থানীয় মানুষের যোগাযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন না হয়, সে জন্য বিকল্প যাতায়াতের ব্যবস্থাও রাখার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

নতুন ব্রিজ নির্মাণ হলে শুধু যাতায়াতের দুর্ভোগই কমবে না, এলাকার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। কৃষকরা তাঁদের উৎপাদিত পণ্য সহজে বাজারে নিতে পারবেন, ব্যবসায়ীরা নির্বিঘ্নে মালামাল পরিবহন করতে পারবেন এবং শিক্ষার্থীদের যাতায়াত আরও নিরাপদ হবে। পাশাপাশি জরুরি রোগী পরিবহন, অগ্নিনির্বাপণ ও অন্যান্য সেবা নিশ্চিত করাও সহজ হবে। স্থানীয়দের মতে, প্রায় ৫০ হাজার মানুষের যোগাযোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ব্রিজটিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো হিসেবে অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন।

এদিকে ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজটি অপসারণ করে নতুন ব্রিজ নির্মাণের দাবিতে শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় ব্রিজের পশ্চিম পাশে খেকুয়ানী বাজারসংলগ্ন এলাকায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মসূচিতে পাঁচ শতাধিক এলাকাবাসী অংশ নেন। তাঁরা দ্রুত নতুন ব্রিজ নির্মাণের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

আরও পড়ুন: সরকার আরো ১ লাখ এতিম-দুস্থ শিশুকে সহায়তা দেবে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন আমতলী উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, গুলিশাখালী ইউনিয়নের বিশিষ্ট সমাজসেবক গোলাম মোস্তফা, ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন মুন্সী এবং বরগুনা জেলা যুবদলের সম্পাদক আসাদুজ্জামান মোমেন আকন। এ সময় গুলিশাখালী ইউনিয়নের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন, খেকুয়ানী ব্রিজটি প্রায় ৫০ হাজার মানুষের চলাচলের একমাত্র ভরসা। দীর্ঘদিন ধরে ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। বড় কোনো যানবাহন এ ব্রিজ দিয়ে চলাচল করতে পারে না। এতে ব্যবসায়ী, কৃষক, শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষকে প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তাঁরা বলেন, সম্প্রতি খেকুয়ানী বাজারে অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১২টি দোকান পুড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। অথচ ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি সেখানে পৌঁছাতে পারেনি। এমনকি জরুরি প্রয়োজনে অ্যাম্বুলেন্স চলাচলেও বাধা তৈরি হচ্ছে। এভাবে একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদের যোগাযোগব্যবস্থা অচল থাকতে পারে না।

বক্তারা আরও বলেন, ব্রিজটি সংস্কারের নামে সময়ক্ষেপণ না করে ঝুঁকিপূর্ণ পুরোনো অবকাঠামোটি অপসারণ করতে হবে। একই স্থানে দ্রুত নতুন ব্রিজ নির্মাণের কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। মানুষের জীবন, সম্পদ, ব্যবসা-বাণিজ্য ও নিরাপদ যোগাযোগের স্বার্থে বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। তাঁরা সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এবং জনপ্রতিনিধিদের দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

মানববন্ধন থেকে এলাকাবাসী স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, খেকুয়ানী ব্রিজের স্থায়ী সমাধান না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের দাবি অব্যাহত থাকবে। তাঁদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্রিজটির অবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন করে ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজটি অপসারণ এবং নতুন ব্রিজ নির্মাণের উদ্যোগ নেবে। পাঁচ শতাধিক মানুষের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এ মানববন্ধনের মধ্য দিয়ে খেকুয়ানীর মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ ও নতুন ব্রিজ নির্মাণের দাবি আবারও সামনে এসেছে। এখন এলাকাবাসীর অপেক্ষা, দাবি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কত দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেয়।

আরও পড়ুন: ধানক্ষেতে লুকিয়েও শেষরক্ষা হলো না আওয়ামী লীগ নেতার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিলেটে শনিবার বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২৭ পি.এম


সিলেটে শনিবার বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

সিলেটের লাক্কাতুরা ও আম্বরখানা উপকেন্দ্রের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ, মেরামত এবং বিদ্যুৎ লাইনের আশপাশের গাছের শাখা-প্রশাখা কর্তনের কাজের জন্য আগামীকাল শনিবার বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

লাক্কাতুরা উপকেন্দ্রের আওতাধীন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ তিন ঘণ্টা বন্ধ থাকবে, আর আম্বরখানা উপকেন্দ্রের আওতাধীন এলাকায় পাঁচ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

শুক্রবার বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিউবো) সিলেট বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-১-এর নির্বাহী প্রকৌশলীর স্বাক্ষরিত পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, শনিবার সকাল ৮টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত লাক্কাতুরা ৩৩/১১ কেভি উপকেন্দ্রের আওতাধীন ১১ কেভি কাকুয়ারপাড়, এয়ারপোর্ট থানা, বাইশটিলা, ওসমানী বিমানবন্দর এক্সপ্রেস, ধোপাগুল, বনশ্রী, বাদামবাগিচা (আংশিক), পাহাড়িকা, বড় বাজার ও লাক্কাতুরা স্টেডিয়াম ফিডারের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে লাক্কাতুরা বাজার, মুসলিমপাড়া, মালনীছড়া, বাঁশবাড়ী গলির মুখ, বাদামবাগিচা, আঙ্গুরমিয়ার গলির মুখ, রূপসা আবাসিক এলাকা, খাসদবীর প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইসরাইল মিয়া গলি, দারুস সালাম মাদরাসা রোড, বড় বাজার, আবাদানি, বড়শালা বাজার মসজিদসংলগ্ন আংশিক এলাকা, পর্যটন, ফরিদাবাদ, সিলভার সিটি, কেওয়াছড়া, হিলুয়াছড়া চা-বাগান, ধোপাগুল, মহালদিক, উমদারপাড়া, আলাইবহর, লিলাপাড়া, দাপনাটিলা, সাহেবের বাজার, কালাগুল, লালবাগ, পীরেরগাঁও, ছালিয়া, রঙ্গিটিলা ও সালুটিকর ঘাটসহ আশপাশের এলাকা।

অন্যদিকে, সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত আম্বরখানা ৩৩/১১ কেভি উপকেন্দ্রের ১১ কেভি আইজিডি ওভারহেড ফিডারের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। এই এলাকায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে আম্বরখানা মসজিদ, দত্তপাড়া, আম্বরখানা সরকারি কলোনি, মজুমদারী, কমলাবাগান, প্রভাতী, পূর্ব পীরমহল্লা, সম্পূর্ণ হাউজিং এস্টেট, ফরিদাবাদ আবাসিক এলাকা ও আশপাশের অঞ্চল।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড সাময়িক এ বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে গ্রাহকদের যে অসুবিধা হবে, সে জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের আগে রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতকাজ শেষ হলে আগেই বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা হতে পারে।

Ñএমএইচ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টাকা কোনো সমস্যা নয়, গণজোয়ার সৃষ্টি করুন: শাহজাহান চৌধুরী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২৮ পি.এম


টাকা কোনো সমস্যা নয়, গণজোয়ার সৃষ্টি করুন: শাহজাহান চৌধুরী

চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াত নেতা শাহজাহান চৌধুরী মন্তব্য করেছেন, "নির্বাচনে টাকা কোনো সমস্যা নয়, আপনারা গণজোয়ার সৃষ্টি করুন।"

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকালে লংগদু পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে জামায়াতের ইউনিয়নভিত্তিক প্রার্থী ঘোষণা ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি উল্লেখ করেন, "দেশের মানুষ এখন চাঁদাবাজ-টেন্ডারবাজ-সিন্ডিকেট-ঘুষখোর-দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ। তারা সৎ নেতৃত্ব চায়।"

শাহজাহান চৌধুরী আরও বলেন, "স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জনগণ জামায়াতের পক্ষেই থাকবে। প্রার্থী নির্বাচন করে দিলাম। কাজ শুরু করে দিন। এখনও সময় আছে, জামায়াতের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি করুন। দেখবেন জনগণও প্রার্থীদের টাকা দিবে।"

তিনি স্থানীয় সরকার নির্বাচনের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, "সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে কাজ করতে হবে।"

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী লংগদু উপজেলায় শাখার উদ্যোগে আয়োজিত সভায় ৭ ইউনিয়নের মধ্যে বগাচতর, গুলশাখালী, কালাপাকুজ্জা, মাইনীমুখ এই ৪ ইউনিয়নে জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কে. এম. মোজিবুল হকের সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী তারো আসোর সাক্ষাৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২৮ পি.এম


কে. এম. মোজিবুল হকের সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী তারো আসোর সাক্ষাৎ

বাংলাদেশের বিশিষ্ট উদ্যোক্তা কে. এম. মোজিবুল হক জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং ক্ষমতাসীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) ভাইস প্রেসিডেন্ট তারো আসোর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

এই সাক্ষাৎটি শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) টোকিওতে জাপানের জাতীয় সংসদ ভবন (ন্যাশনাল ডায়েট বিল্ডিং)-এ অবস্থিত তারো আসোর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

কে. এম. মোজিবুল হক শাহ গ্রুপ, টিএএস এভিয়েশন গ্রুপ ও বাকা হোল্ডিংস লিমিটেডের চেয়ারম্যান হিসেবে পরিচিত। তিনি ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের (ইউএপি) বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

সাক্ষাৎকালে উভয় ব্যক্তির মধ্যে পারস্পরিক মতবিনিময় হয়। এ সময় বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, পারস্পরিক সৌহার্দ্য এবং দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ ও সম্পৃক্ততা আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

কে. এম. মোজিবুল হক তারো আসোর প্রতি সাক্ষাতের সুযোগ দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি জাপানের রাজনীতি ও জনজীবনে তারো আসোর দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, নেতৃত্ব এবং অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

উল্লেখ্য, তারো আসো জাপানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি দেশের সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় এবং লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির শীর্ষ নেতৃত্বেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অবহেলিত শিশুদের পুনর্বাসনই আমাদের লক্ষ্য: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২৮ পি.এম


অবহেলিত শিশুদের পুনর্বাসনই আমাদের লক্ষ্য: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

চট্টগ্রাম, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬ : সমাজকল্যাণ এবং নারী ও শিশু বিষয়কমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন আজ চট্টগ্রাম সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। এই পরিদর্শনের সময় তিনি সমাজের অবহেলিত ও অধিকার বঞ্চিত শিশুদের সমাজের মূল ধারায় পুনর্বাসনের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হলো- অবহেলিত, অধিকার বঞ্চিত, পরিত্যক্ত, পিতামাতাহীন- এই সমস্ত বাচ্চাদের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং দিনশেষে তাদেরকে সমাজে পুনর্বাসন করা।’

শুক্রবার বেলা সাড়ে ১০টার দিকে তিনি চট্টগ্রামের সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রটি পরিদর্শন করেন। এ সময় ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানান, তিনি এখানে বাচ্চাদের শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসনের অবস্থা দেখতে এসেছেন।

পথশিশু ও ভিক্ষাবৃত্তি করা শিশুদের পুনর্বাসনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘পথশিশু ও ভিক্ষাবৃত্তি করা শিশুদের পুনর্বাসনের জন্য তাদেরকে সবার আগে সাইকোসোশ্যাল মোটিভেশনের আওতায় আনতে হবে। এছাড়া তাদের পুনর্বাসন করা সম্ভব না। সে লক্ষ্যে আমরা উদ্যোগ গ্রহণ করছি।’

এর আগে, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র প্রাঙ্গণে একটি পেয়ারা গাছ রোপণ করেন। পরে হলরুমে শিশুদের আঁকা দেয়ালিকার ১২তম সংখ্যা ‘আলোকবর্তিকা’ উন্মোচন করেন তিনি।

এ সময় বালক-বালিকারা বাংলাদেশের পতাকার রঙের পোশাক পরে ‘রক্ত দিয়ে নাম লিখেছি-বাংলাদেশের নাম’সহ কয়েকটি গানের নৃত্য পরিবেশন করেন।

চট্টগ্রাম সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের উপপ্রকল্প পরিচালক জেসমিন আক্তার জানান, এখানে পথশিশু, শ্রমজীবী শিশু, গৃহকর্মে নিয়োজিত শিশু, পিতামাতাহীন শিশু, পরিত্যক্ত শিশু, পাচার থেকে উদ্ধারকৃত শিশু, আইনের সংস্পর্শে আসা শিশু ও প্রতিবন্ধী শিশুসহ ১৬ ধরণের শিশু অবস্থান করছে।

তিনি বলেন, আমরা তাদের খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা, জীবনমান উন্নয়ন, কারিগরি প্রশিক্ষণ ইত্যাদি সেবার মাধ্যমে সমাজের মূল ধারায় পুনর্বাসনের চেষ্টা করছি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ওমর ফারুক, হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন ও চট্টগ্রাম সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের উপ-প্রকল্প পরিচালক জেসমিন আক্তারসহ আরও অনেকেই।

চট্টগ্রাম সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয় ২০১২ সালের ১২ আগস্ট। এরপর থেকে এ পর্যন্ত কেন্দ্রটি থেকে ২ হাজার ২৪টি শিশু সেবা নিয়েছে। এরমধ্যে ১ হাজার ৩৭৮টি শিশু বিভিন্নভাবে পুনর্বাসিত হয়েছে এবং ৫০০টি শিশুকে তাদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে কেন্দ্রটিতে ১০০ জন বালক এবং ১০৪ জন বালিকা শিশু রয়েছে। তাদের বয়স সর্বনিম্ন ৬ থেকে সর্বোচ্চ ১৮ পর্যন্ত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২১
ইশা ০৬:৩৩
সূর্যোদয় : ০৬:০৩ সূর্যাস্ত : ০৫:২১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%