প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফারাক্কা ব্যারেজের সব গেট খুলে দেয়ার জন্য বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। রবিবার, শুভেন্দুর সঙ্গে টেলিফোন আলাপের মাধ্যমে তিনি এ আহ্বান জানান।
সম্রাট চৌধুরী সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেয়া এক পোস্টে উল্লেখ করেন, ‘গঙ্গার পানি বাড়তে থাকায় এবং বিহারের বন্যা পরিস্থিতিগুলো বিবেচনায় নিয়ে আমি আজ পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছি। তাকে ফারাক্কা ব্যারাজের সব গেট খুলে দেয়ার অনুরোধ করেছি।’
সম্রাট চৌধুরী আরও বলেন, এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য শুভেন্দু অধিকারী আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি আরো জানিয়ে দেন, ‘ফারাক্কা ব্যারাজের গেট খুলে দিলে গঙ্গার পানির প্রবাহ স্বাভাবিক হবে এবং বিহারের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। বিহারের নিরাপত্তা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।’
এদিকে, জেডিইউ সাংসদ সঞ্জয় ঝা ১৯৯৬ সালের ভারত-বাংলাদেশ গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি নবায়নের আগে বিহারের স্বার্থ বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, ৩০ বছর পূর্তি হতে যাচ্ছে ডিসেম্বরের মধ্যে, সুতরাং বিহারের স্বার্থ সুরক্ষিত না করে চুক্তি নবায়ন করা উচিত নয়।
ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৫৪টি অভিন্ন নদী রয়েছে, যার মধ্যে ১৯৯৬ সালের গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মাধ্যমে ফারাক্কা ব্যারাজে শুষ্ক মৌসুমে পানিবণ্টনের বিষয়টি নির্ধারিত হয়েছে। তিস্তা নদীর পানি বণ্টন নিয়ে দুই দেশের মধ্যে একাধিক দফা আলোচনা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো সমাধান হয়নি।
২০১১ সালে প্রস্তাবিত একটি চুক্তিতে তিস্তার পানির ৪২ দশমিক ৫ শতাংশ ভারত এবং ৩৭ দশমিক ৫ শতাংশ বাংলাদেশকে দেয়ার কথা ছিল। বাকি পানি অন্যান্য বিষয় বিবেচনায় ভাগ করার প্রস্তাব ছিল। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের বিরোধিতার কারণে এই প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত হতে পারেনি।
সূত্র: এএনআই
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন