প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ছাত্রদল ও শিবিরের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আগামী ৫ ও ৬ আগস্ট ক্যাম্পাসে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘোষণা করেছে। একইসাথে আহত শিক্ষার্থীদের দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিতের ব্যাপারে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন জরুরি বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে ব্রিফকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। উপাচার্য বলেছিলেন, আগামী ৫ ও ৬ আগস্ট ক্যাম্পাসে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। ৫ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকলেও পুলিশ প্রশাসনের মাধ্যমে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পরদিন ৬ আগস্টেও একই নিরাপত্তা ব্যবস্থা বহাল থাকবে।
তিনি আরও বলেন, আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসায় কোনো ধরনের বৈষম্য করা হবে না। ইতোমধ্যে ঢাকা ন্যাশনাল মেডিক্যাল ইনস্টিটিউট হাসপাতালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি দল আহতদের দেখতে গেছে। আজকের ঘটনায় আহত শিক্ষার্থীদের দ্রুত চিকিৎসায় অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, তা যে সংগঠনেরই হোক।
ড. মো. রইছ উদ্দীন আরো জানান, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনের জন্য ইতোমধ্যে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তে যারা দায়ী তাদের চিহ্নিত করে সর্বোচ্চ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান উপাচার্য।
এর আগে, সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে ইউজিসি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা চলছিল। এ সময় দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর, কেরানীগঞ্জে অস্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা এবং মেডিক্যাল সেন্টারের সেবা উন্নয়নের দাবিতে জকসুর কয়েকজন প্রতিনিধি, জাতীয় ছাত্রশক্তি, ছাত্রশিবির, ছাত্রফ্রন্ট ও ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যরা প্ল্যাকার্ড নিয়ে মিলনায়তনে প্রবেশের চেষ্টা করেন। তাদের বাধা দেওয়া হলে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়।
পরে বাগবিতণ্ডা ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ে। আহতদের জাতীয় মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর সেখানে ছাত্রশিবির এবং কবি নজরুল সরকারি কলেজ ও শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে আবার সংঘর্ষ ঘটে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন