প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ পৌর এলাকার একটি আবাসিক হোটেল থেকে মো. ইলিয়াছ কাজী (৬৫) নামে একজন বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে হাজীগঞ্জ থানা পুলিশ মাতৃমায়া নামের ওই হোটেলের কক্ষের দরজা ভেঙে মরদেহটি উদ্ধার করে।
ইলিয়াছ কাজী ফরিদগঞ্জ উপজেলার ৫ নম্বর গুপ্টি ইউনিয়নের কাজী বাড়ির আদম আলী কাজীর ছেলে।
ইলিয়াছ কাজীর ছেলে মাহদী হাসান জানান, তার বাবা গত ৮ জুন থেকে নিখোঁজ রয়েছেন। আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে অনেক খোঁজাখুঁজি করার পর ১২ জুন ফরিদগঞ্জ থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি দায়ের করা হয়। পরে শনিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (ফেসবুক) থেকে খবর পান হাজীগঞ্জে অজ্ঞাত এক মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এরপর থানায় গিয়ে বাবার মরদেহটি শনাক্ত করেন।
হোটেলের মালিক ফারুক হোসেন লিটন জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় মো. ইলিয়াছ কাজী হোটেলে উঠেন। এরপর শনিবার দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত রুমের দরজা বন্ধ থাকায় এবং কিছুবার নক করেও কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে থানায় ফোন করেন। কিছুক্ষণ পরেই থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস এসে দরজা ভেঙে মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
হাজীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুল মান্নান বলেন, বিকেল পর্যন্ত একাধিক বার দরজা নক করেও ভেতর থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে মাতৃমায়া আবাসিক হোটেলের ম্যানেজার রায়হান হোটেল মালিক ফারুক হোসেন লিটনকে বিষয়টি জানান। পরে লিটনের থানায় ফোন করার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করে। এরপর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হাজীগঞ্জ সার্কেল) মুকুর চাকমা ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন।
ওসি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ইলিয়াস কাজী কীটনাশক পান করে মৃত্যু বরণ করেছেন। তবে ময়নাতদন্তের পর মৃত্যু কিভাবে হয়েছে তা নিশ্চিত হওয়া যাবে। থানায় অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং মরদেহ চাঁদপুর মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন