প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কুমিল্লার দেবীদ্বারে দুই পক্ষের মধ্যে বাঁশঝাড়ের মালিকানা নিয়ে ঝগড়ার সময় ছুরিকাঘাতে এক দিনমজুরকে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষের সদস্যরা। এই ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার জাফরগঞ্জ ইউনিয়নের বারুর গ্রামের এনু মেম্বারের বাড়ির বাঁশঝাড়ে।
মৃত দিনমজুরের নাম সফিকুল ইসলাম (৪৫)। তিনি বারুর গ্রামের মৃত মহাজ উদ্দিনের পুত্র।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সফিক একজন দিনমজুর হিসেবে কাজ করতেন। তিনি বাঁশ-বেত দিয়ে বিভিন্ন সামগ্রী যেমন ওরা, খাড়ি, জুলাই, জাবার, চালনি, চুরিসহ বাজারে বিক্রি করতেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে তিনি বাড়ির পাশে নিজের ঝাড় থেকে বাঁশ কাটতে যান। এই সময় মৃত এনু মেম্বারের ছেলে লিমন (৪৭) এবং লিমনের বড় ভাই নজরুল ইসলামের ছেলে নিশাদ (২৬) সফিককে বাঁশ কাটতে বাধা দেয়। সফিকুল তখন দাবি করেন যে তিনি তার নিজের ঝাড় থেকে বাঁশ কাটছেন। প্রথমে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়, পরে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। এক পর্যায়ে দা, ছোরা এবং হাতুড়ি দিয়ে সফিকের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। নিশাদ হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে এবং দা দিয়ে কুপিয়ে সফিককে গুরুতর আহত করে। এ সময় লিমন তার হাতে থাকা ছোরা দিয়ে সফিকের পেটে আঘাত করে, ফলে পেটের ভুঁড়ি বেরিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা সফিকের পেটে গামছা বেঁধে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের স্ত্রী নার্গিস আক্তার কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, "স্বামীকে আমার চোখের সামনে লিমন ও নিশাদ হাতুরি দিয়ে পিটিয়ে হাত থেতলে দেয়, দা দিয়ে কুপিয়ে পরে ছুরি দিয়ে পেট কেটে হত্যা করে।"
এ বিষয়ে দেবীদ্বার থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান বলেন, "বাঁশ কাটা নিয়ে দুই পক্ষের ঝগড়ায় সফিক নামের এক দিনমজুর ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। তদন্তের পর বিস্তারিত বলা যাবে।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন