প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
থাইল্যান্ডের রানি সুথিদা বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দক্ষিণ থাইল্যান্ডের সুরাত থানি প্রদেশের উইং ৭ বিমানঘাঁটি থেকে এককভাবে গ্রিপেন যুদ্ধবিমান চালিয়ে নতুন নজির স্থাপন করেন। তার এই উড্ডয়ন বিমান চালনার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে গণ্য হচ্ছে।
ব্যাংকক পোস্টের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, থাইল্যান্ডের রানি সুথিদার বিমান চালনায় দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি বিভিন্ন ধরনের বিমানে মোট ১ হাজার ১৮৮ ঘণ্টারও বেশি সময় উড্ডয়ন করেছেন। এর মধ্যে সেসনা, পিলাটাস ও পাইপার বিমানের পাশাপাশি বোয়িং ৭৩৭ যাত্রীবাহী বিমান চালানোর অভিজ্ঞতাও রয়েছে তার।
২০১০ সালের ১৩ মে ব্যাংককের উইং ৬ বিমানঘাঁটি থেকে সেসনা টি-৪১ডি বিমান চালিয়ে প্রথমবার আকাশে উড়াল দেন সুথিদা। পরবর্তীতে তিনি এক আসনের গ্রিপেন যুদ্ধবিমানও চালান। রাজকীয় দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে তিনি বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক সফরে রাজার সঙ্গে সহপাইলট হিসেবেও কাজ করেছেন।
গত বছরের এপ্রিলে ভুটান সফরের সময় রাজা ও রানি একসঙ্গে একটি রাজকীয় বিমান পরিচালনা করেন। তারা পরে পারো বিমানবন্দরে অবতরণ করেন, যা কঠিন অবতরণপথের জন্য পরিচিত।
উড্ডয়নের আগে রানী বিমান চালানোর পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত ব্রিফিং নেন এবং বিমানটিও পরীক্ষা করেন। এরপর তিনি এক আসনবিশিষ্ট জেএস ৩৯সি গ্রিপেন যুদ্ধবিমান নিয়ে আকাশে উড়াল দেন। এই সময় উপস্থিত ছিলেন থাইল্যান্ডের রাজা মহা ভাজিরালংকর্ন।
উড্ডয়ন শেষে রানীকে ফুলের তোড়া দিয়ে অভিনন্দন জানান রাজা। তাকে একটি বিশেষ ‘গ্রিপেন অর্ডার গোল্ডেন প্যাচ’ উপহার দেওয়া হয়। সুইডেনে তৈরি এই যুদ্ধবিমান চালানোর সঙ্গে যুক্ত বিশেষ স্বীকৃতির প্রতীক হিসেবে এটি প্রদান করা হয়েছে।
গ্রিপেন যুদ্ধবিমানে রানির প্রথম একক উড্ডয়ন তার দীর্ঘ বিমান চালনার অভিজ্ঞতায় নতুন সংযোজন। একই সঙ্গে সামরিক ও বেসামরিক বিমান চালনায় তাঁর দক্ষতারও পরিচয় দিয়েছে এই কৃতিত্ব।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন