০৫:১৭ পি.এম
চাঁদপুরের হাইমচরে দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে যুবক ওমর ফারুকের মৃত্যু ঘটেছে।
চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলায় ইজমালি পুকুরের ঘাটলা নির্মাণের জন্য দুপক্ষের মধ্যে মারধরের এক পর্যায়ে চোখেমুখে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে দিয়ে দেশীয় অস্ত্র দ্বারা কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে ওমর ফারুক (২২) নামে যুবককে। ঘটনার পর অভিযুক্তরা বাড়ি থেকে পলিয়ে যায়।
আরও পড়ুন: বাঘাইছড়িতে শুরু হলো ১৭তম কঠিন চীবর দানোৎসব
মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুর পৌনে ১টার দিকে উপজেলার আলগী দুর্গাপুর উত্তর ইউনিয়নের ছোট লক্ষ্মীপুর গ্রামের মৃধা বাড়িতে এই ঘটনার সংঘটন ঘটে। নিহত ওমর ফারুক ছিল উত্তর চরভাঙ্গা (ঢালী বাড়ি) গ্রামের খালেক ঢালীর ছেলে।
পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হত্যার শিকার ওমর ফারুক ছোট লক্ষ্মীপুর গ্রামে তার নানা হাসমত উল্যাহ মৃধার বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন। মঙ্গলবার দুপুরের দিকে আনুমানিক ১২টার দিকে হাসমত উল্যাহর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ইসলামি পুকুরের ঘাটলা নির্মাণ নিয়ে প্রতিপক্ষ কুদ্দুস মৃধা (৩০), বিল্লাল মৃধা (২৫), হাসান মৃধা (২৮) ও হাবিব মৃধাসহ (২১) কয়েকজনের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও ঝগড়া-বিবাদ শুরু হয়।
ঝগড়ার এক পর্যায়ে প্রতিপক্ষের লোকজন বৃদ্ধ হাসমত উল্যাহকে মারধর করতে উদ্যত হলে নাতি ওমর ফারুক ঝগড়া থামাতে এবং বিরোধ মীমাংসার চেষ্টা করতে এগিয়ে যান। তবে, এই সময় প্রতিপক্ষের লোকজন ওমর ফারুক ও তার নানার পরিবারের লোকজনের চোখে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে দেয়। মরিচের গুঁড়ার তীব্রতায় তারা দুর্গত হয়ে পড়লে, প্রতিপক্ষের একজন ধারালো দা দিয়ে ওমর ফারুকের গলায় কোপ মারে। ফলে তিনি রক্তাক্ত ও গুরুতর জখম হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
বাড়ির লোকজন আশঙ্কাজনক অবস্থায় ওমর ফারুককে উদ্ধার করে হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন: ১১ হাজারের বেশি যাত্রী পারাপারের পরও এস.টি. নিঝুম দ্বীপ সরানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন
ঘটনার পর হাইমচর থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকে ফারুকের মৃতদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পুলিশ জানিয়েছে, লাশের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
হাইমচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নাজমুল হাসান জানিয়েছেন, ‘ঘটনার পর পরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অভিযুক্ত হাবিবসহ ঘটনার সঙ্গে জড়িত আসামিদের আটকে পুলিশের অভিযান চলছে।
এই বিষয়টি নিয়ে মামলা দায়েরসহ পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
আরও পড়ুন: দীঘিনালায় দুই বৌদ্ধবিহারের কঠিন চীবরদান পরিদর্শনে জোন কমান্ডার
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন