প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইংল্যান্ড সফরের সময় পাকিস্তান দলের অভ্যন্তরীণ তথ্য ফাঁস এবং খেলোয়াড়দের যোগাযোগ সংক্রান্ত তদন্তের অংশ হিসেবে মোহাম্মদ রিজওয়ান ও ইমাম উল হককে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দেশটির ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনসিসিআইএ)। পাকিস্তানের এই দুই ক্রিকেটার বিস্তারিত জবাব দেওয়ার জন্য সময় চেয়েছেন।
পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার লাহোরের জোহর টাউনে এনসিসিআইএর কার্যালয়ে পৌঁছান রিজওয়ান ও ইমাম। বিকেল ৩টার দিকে সেখানে পৌঁছানোর পর প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
ইংল্যান্ড সফরের সময় পাকিস্তান দলের নিরাপত্তা কর্মকর্তা কয়েক ঘণ্টার জন্য রিজওয়ান ও ইমামের মোবাইল ফোন নিজেদের হেফাজতে নিয়েছিলেন। পরে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) খেলোয়াড়দের ফোন ও বিভিন্ন যোগাযোগ খতিয়ে দেখার উদ্যোগ নেয়। এরই ধারাবাহিকতায় দেশে ফেরার পর দুই ক্রিকেটারকে সাইবার ক্রাইম সংস্থার কাছে তলব করা হয়।
জিও নিউজ জানিয়েছে, তদন্তের মূল উদ্দেশ্য হল ড্রেসিংরুমের তথ্য বাইরে চলে যাচ্ছে কি না, ইংল্যান্ডে অনুশীলন ও ম্যাচের সময় খেলোয়াড়দের যোগাযোগ এবং বিভিন্ন বৈঠক সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম দুই টেস্টে হারের পর পাকিস্তান দল থেকে সাত ক্রিকেটারকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়। রিজওয়ান ও ইমামের সঙ্গে সেই তালিকায় ছিলেন অধিনায়ক সালমান আলী আঘাও। সফরের সময় দলের কর্মকাণ্ড এবং কয়েকজন ব্যক্তির সঙ্গে খেলোয়াড়দের কথিত যোগাযোগ নিয়েও তদন্ত চলছে বলে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এনসিসিআইএর কার্যালয়ে যাওয়ার আগে পিসিবির সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন রিজওয়ান ও ইমাম। জিজ্ঞাসাবাদের সময় তারা তদন্তকারী কর্মকর্তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিলেও বিস্তারিত জবাব দেওয়ার জন্য আরও সময় চেয়েছেন।
এদিকে, তৃতীয় একজন ক্রিকেটারকেও এনসিসিআইএ তলব করেছে বলে জানা গেছে, তবে তার নাম প্রকাশ করা হয়নি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন