প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
হরমুজ প্রণালির গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে গত মঙ্গলবার জাহাজ চলাচল একেবারেই তলানিতে ছিল। আগের দিনের তুলনায় সংখ্যা অপরিবর্তিত থাকলেও, এটি স্বাভাবিক গড়ের তুলনায় অনেক কম। অন্যদিকে, সামরিক চাপের পাশাপাশি আলোচনার দরজাও খোলা রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে মঙ্গলবার মাত্র পাঁচটি পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল করেছে। ট্র্যাকিং প্রতিষ্ঠান কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, তরল গ্যাস এবং বিটুমিনবাহী তিনটি ট্যাংকার প্রণালি পার হয়েছে। এছাড়া, দুটি খালি ট্যাংকারও প্রবেশ করেছে। সোমবার মাত্র একটি জাহাজ পার হয়েছিল, যেখানে ১০ দিনের গড় সংখ্যা ১৫টি। তবে যাত্রাপথে অনেক জাহাজ সংকেত বন্ধ রাখায় পরবর্তী সময়ে সংখ্যাটি বাড়তে পারে।
এদিকে, ইরান নিয়ে ওয়াশিংটনের কৌশল দুটি সমান্তরাল পথে এগোচ্ছে। এর একটি হচ্ছে সামরিক চাপ এবং অপরটি নতুন করে আলোচনার পথ খোলা রাখা। ট্রাম্পের প্রচারণা বিষয়ক সাবেক পরিচালক রব আর্লেট আল জাজিরাকে এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিষ্কার লক্ষ্য হলো প্রণালিটি খুলে দেওয়া এবং ইরানকে আলোচনায় ফেরানো।
সংঘাতের মধ্যেও কূটনৈতিক বিকল্প খোলা ছিল বলে জানান আর্লেট। তবে সমঝোতা ভেস্তে যাওয়ার জন্য তেহরানকেই দায়ী করেন তিনি। আর্লেট বলেন, চুক্তিতে সই করার পরেও ইরান তা মানেনি। বরং তারা বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা শুরু করে চুক্তি শেষ করেছে। ভুললে চলবে না, ইরান সরকার নিজেই চুক্তি থেকে সরে গেছে।
তিনি আরও বলেন, তেহরান কী বলছে তার চেয়ে তারা কী করছে, সেদিকেই নজর ট্রাম্প প্রশাসনের। তারা সত্যিই আলোচনা চায়, নাকি স্রেফ খেলা খেলছে—তা সময়ই বলে দেবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন