প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চুরি, অসংগতি এবং বিভিন্ন ধরনের অনিয়মের অভিযোগের কারণে আন্তর্জাতিক জার্নাল থেকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তত ১২টি গবেষণাপত্র প্রত্যাহারের (রিট্র্যাক্ট) ঘটনায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ প্রকৃত তথ্য উদঘাটনের মাধ্যমে সত্যাসত্য নির্ধারণের প্রয়াসে গঠিত ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটিকে আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছে।
শনিবার (৮ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক আরটিভিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ‘সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে, তারা আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেবেন।’
এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের অফিস সূত্রে জানা গেছে, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন গবেষকের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত প্রবন্ধে অনিয়ম পরিলক্ষিত হওয়ার অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাদের গবেষণাপত্র প্রত্যাহারের বিষয়টি নিয়ে প্রকৃত তথ্য উদ্ঘাটনপূর্বক সত্যাসত্য নির্ধারণের উদ্দেশ্যে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে, যা সুপারিশসহ প্রতিবেদন তৈরি করবে।
তদন্ত কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মমতাজুল ইসলাম, সদস্য হিসেবে রয়েছেন ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. জাহিদুল ইসলাম এবং ফলিত পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক ড. আসাদ-উদ-দৌলা।
তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ড. মমতাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমি এখনও চিঠি পাইনি। চিঠি হাতে পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে আলোচনা করবো।’
প্রসঙ্গত, এর আগে বিভিন্ন গবেষণাপত্রের লেখকত্ব বা প্রতিষ্ঠানের পরিচয় নিয়ে সমস্যা, তথ্যসূত্র বা রেফারেন্স সংক্রান্ত সমস্যা, চিত্র সংক্রান্ত অসঙ্গতি কিংবা ডুপ্লিকেশন, সংশয়যুক্ত ফলাফল অথবা উপসংহার সহ নানা চুরি ও অনিয়মের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন জার্নাল থেকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের এসব গবেষণাপত্র প্রত্যাহার করা হয়েছিল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন