প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা এম ইলিয়াস আলীকে গুমের ঘটনায় ২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ট্রাইব্যুনাল উইং কমান্ডার সাইফুর রহমানকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে। একইসঙ্গে, পরবর্তী শুনানির জন্য ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।
রোববার দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ আদেশ দিয়েছে। বিচারপতি গোলাম মর্তুযার মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের এই ট্রাইব্যুনালে অপর দুই সদস্য হলেন- বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ এবং বিচারক মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
আজ সকালে সাইফুর রহমানকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। দুপুর ২ টার পর তাকে আদালতে তোলা হয়। এরপর চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম, সাইফুরকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে প্রেরণের আবেদন করেন। আবেদনটিকে মঞ্জুর করে ট্রাইব্যুনাল। পরবর্তী শুনানির জন্য ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়।
এর আগে গত ৯ আগস্ট প্রসিকিউটশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সাইফুর রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল ট্রাইব্যুনাল।
প্রসিকিউশন সূত্রে জানা যায়, দেড় দশক আগে বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীকে অপহরণের প্রথম চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের নেতৃত্বে দ্বিতীয় চেষ্টায় তাকে তুলে নেওয়া হয়। এই ঘটনায় সাইফুরের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়ার কথা জানিয়েছে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।
ওই সময় বিমান বাহিনীর স্কোয়াড্রন লিডার সাইফুর রহমান র্যাবের গোয়েন্দা শাখায় কর্মরত ছিলেন। আর তখনকার লেফটেন্যান্ট কর্নেল জিয়াউল আহসান ছিলেন র্যাবের গোয়েন্দা শাখার পরিচালক।
সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদের জামাতা সাইফুর সর্বশেষ বিমান সদর দপ্তরের ডিরেক্টরেট তাব এয়ার ট্রেনিং ডেপুটি ডিরেক্টর হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
গত ২১ জুন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শতাধিক গুম-খুনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সেনাবাহিনীর ওয়ারেন্ট অফিসার ইমরুল কায়েসের জবানবন্দিতে ইলিয়াস আলীর গুম ও হত্যার ঘটনায় সাইফুর রহমানের নাম আসে। এই মামলায় বরখাস্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান কারাগারে রয়েছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন