প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বন্যা ও সমুদ্রের ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মহাসচিব অধ্যক্ষ আল্লামা স.উ.ম আব্দুস সামাদ।
এ সময়ে তিনি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ইসলামী ছাত্রসেনা চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক ও বাঁশখালী উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক কাজী ইফাজ উদ্দীনের বাড়ি পরিদর্শন করেন। সেখানে তার হাতে ভালোবাসার উপহার তুলে দেওয়া হয়।
পরে তিনি বাঁশখালীর খানখানাবাদ সমুদ্র সৈকতের সংলগ্ন ক্ষতিগ্রস্ত এবং ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ এলাকা সরেজমিনে ঘুরে দেখেন। তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে তাদের দুর্ভোগের খোঁজখবর নেন।
পরিদর্শনকালে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় শ্রম ও কৃষি বিষয়ক সম্পাদক এস. মহিউল আলম চৌধুরীসহ বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, যুবসেনা ও ছাত্রসেনার বাঁশখালী উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
পরিদর্শন শেষে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে অধ্যক্ষ স.উ.ম আব্দুস সামাদ বলেন, "খানখানাবাদ উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে ভাঙনের আতঙ্ক নিয়ে বসবাস করছে। বর্ষা এবং জলোচ্ছ্বাসের সময় বেড়িবাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মানুষের ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। উপকূলীয় জনসাধারণের জীবন ও সম্পদ রক্ষা করা রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব।"
তিনি আরও বলেন, "জোড়াতালির সংস্কার দিয়ে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। খানখানাবাদ সমুদ্র সৈকত এলাকায় আধুনিক, টেকসই এবং দীর্ঘমেয়াদি বেড়িবাঁধ নির্মাণ করতে হবে। অন্যথায় ভবিষ্যতের মধ্যে এই অঞ্চলের অনেক এলাকা মানচিত্র থেকেই হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।" তিনি পানি উন্নয়ন বোর্ড ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি দ্রুত কার্যকর ও স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।
পরিদর্শন শেষে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। স্থানীয়রা উপকূল রক্ষার জন্য দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের ব্যাপারে সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন