প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং তার স্ত্রী সারা নেতানিয়াহু রবিবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের উদ্দেশ্যে সফর করেন। এই সরকারি সফরের আয়োজন করা হয়েছে আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদের আমন্ত্রণে, এমনটি জানায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।
ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই নিউজের রিপোর্ট অনুযায়ী, সফরের সময় দুই দেশের সম্পর্ককে আরো দৃঢ় করার পাশাপাশি পশ্চিম এশিয়ার আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। সোমবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে একটি পোস্টের মাধ্যমে এ তথ্য প্রকাশ করে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। সফরকালে নেতানিয়াহুর সঙ্গে ছিলেন ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান, গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের প্রধান, সামরিক সচিব এবং পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক উপদেষ্টা। চলমান পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে নেতানিয়াহুর এই সফর অনুষ্ঠিত হলো। এর আগে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে তিনি ইরানের সরকার সম্পর্কে কঠোর মন্তব্য করেন।
নেতানিয়াহু বক্তব্যে উল্লেখ করেন, "ইরানের বর্তমান সরকার একসময় ক্ষমতা হারাবে।" তিনি দাবি করেন, দেশটির নেতৃত্বের মিথ্যা, দুর্নীতি এবং কঠোর নীতির কারণে সরকার শেষ পর্যন্ত পতনের মুখে পড়বে। নেতানিয়াহু বলেন, "একসময় ইরানের জনগণ তাদের সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবে।" তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের বর্তমান সরকার তার বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের জন্য একদিন ক্ষমতাচ্যুত হবে। তিনি আরো বলেন, "ইরানে বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটতে খুব বেশি সময় লাগবে না এবং শেষ পর্যন্ত জনগণের শক্তিই ক্ষমতাসীনদের ওপর জয়ী হবে।" জাতিসংঘে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে ইসরায়েলের সামরিক হামলার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, "ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ওই হামলা প্রয়োজন ছিল।"
নেতানিয়াহু দাবি করেন, ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপকে কয়েকটি দেশ ব্যক্তিগতভাবে সমর্থন করেছে। তবে তিনি জানান, প্রকাশ্যে কিছু দেশের নেতারা ইসরায়েলের সমালোচনা করেছেন। জাতিসংঘে বক্তব্য দেওয়ার সময় সভাকক্ষ থেকে বেরিয়ে যাওয়া বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদেরও তিনি সমালোচনা করেন। নেতানিয়াহু ভবনের বাইরে বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে বলেন, "ইরানের সরকার যখন নিরস্ত্র নাগরিকদের হত্যা ও আহত করেছিল, তখন এসব সমালোচনাকারী কোথায় ছিলেন?" তিনি বিক্ষোভকারীদের ‘ভুয়া মানবাধিকারকর্মী’ বলেও মন্তব্য করেন। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে নেতানিয়াহুর বক্তব্য শুরু হওয়ার পর বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা সভাকক্ষ থেকে বেরিয়ে যান। তবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিনিধিদল তাদের আসনে বসে ছিল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন