প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
উৎসব বা বিশেষ অনুষ্ঠানে সাধারণত ভাজা, চর্বিযুক্ত খাবার এবং মিষ্টির প্রতি আকর্ষণ বৃদ্ধি পায়। তবে অতিরিক্ত পরিমাণে খাবার গ্রহণ করলে হৃদযন্ত্রের ওপর চাপ বৃদ্ধি পেতে পারে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, বিশেষ করে যাদের হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ এবং ডায়াবেটিস রয়েছে, তাদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, অতিরিক্ত খাবার হজম করার জন্য শরীরের পরিপাকতন্ত্রে রক্তপ্রবাহ বৃদ্ধি পায়। এর ফলে হৃদযন্ত্রের কার্যক্রমে চাপ বৃদ্ধি পেতে পারে। সাধারণত সুস্থ মানুষের শরীর এই পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে সক্ষম হলেও, যাদের হৃদযন্ত্রের ধমনিতে সংকোচন রয়েছে, তাদের জন্য এটি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
তবে, একবারের জন্য অতিরিক্ত খাবার খাওয়া হার্ট অ্যাটাকের কারণ হয়ে উঠবে, এমন নয়। সাধারণত হৃদযন্ত্রের পেশিতে রক্তপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হলে হার্ট অ্যাটাক ঘটে। করোনারি ধমনিতে রোগের কারণে রক্ত জমাট বাঁধার ফলে এ ধরনের বাধা সৃষ্টি হতে পারে। ঝুঁকির মধ্যে থাকা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ভারী খাবার অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
অতিরিক্ত লবণ ও চর্বির প্রভাব
নিয়মিতভাবে অতিরিক্ত স্যাচুরেটেড ফ্যাট, লবণ এবং পরিশোধিত শর্করাযুক্ত খাবার গ্রহণ হৃদস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। অতিরিক্ত লবণ শরীরে পানি জমার প্রবণতা বাড়াতে পারে এবং রক্তচাপ বৃদ্ধি করতে পারে। উচ্চ রক্তচাপ এবং হৃদযন্ত্রের অকার্যকারিতায় ভোগা ব্যক্তিদের জন্য বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
বদহজম ভেবে হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ এড়িয়ে যাবেন না।
ভারী খাবারের পর বুকজ্বালা, পেট ফাঁপা, বমি বমি ভাব বা পেট ভরা অনুভূতি হতে পারে। তবে হার্ট অ্যাটাকের কিছু লক্ষণ বদহজমের মতো মনে হতে পারে। তাই বুক বা পেটের ওপরের অংশে অস্বস্তি অনুভব হলে সেটিকে গ্যাসের সমস্যা মনে করে উপেক্ষা করা বিপজ্জনক।
হৃদস্বাস্থ্য ভালো রাখতে পছন্দের খাবার পুরোপুরি বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই; বরং পরিমাণ এবং খাওয়ার অভ্যাসে সংযম রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একবারে বেশি না খেয়ে অল্প পরিমাণে খাওয়া, ধীরে ধীরে খাওয়া এবং অতিরিক্ত চর্বি ও লবণযুক্ত খাবার সীমিত রাখার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
যাদের আগে থেকেই হৃদরোগ রয়েছে, তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন চালিয়ে যেতে হবে। লবণ, পানি এবং খাবার গ্রহণের ক্ষেত্রেও চিকিৎসকের নির্দেশনা মেনে চলা জরুরি।
সূত্র: সামা টিভি
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন