প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সৌদি আরবের নিরাপত্তা বাহিনী পরবর্তী এক সপ্তাহের মধ্যে আবাসন, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ১৪ হাজার ৫৪২ জন প্রবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ৬ থেকে ১২ আগস্ট পর্যন্ত দেশজুড়ে এই যৌথ অভিযান চালানো হয়। রিয়াদ এ সময় প্রায় ১৩ হাজার জনকে দেশ থেকে বহিষ্কার করেছে।
গালফ নিউজের প্রতিবেদনে রোববার (১৬ আগস্ট) বলা হয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ৭,২১৬ জন আবাসন আইন লঙ্ঘন, ৩,৮৪৩ জন সীমান্ত নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘন এবং ৩,৪৮৩ জন শ্রম আইন লঙ্ঘনের অপরাধে গ্রেপ্তার হয়েছে। এ ছাড়া, অবৈধভাবে সৌদি আরবে প্রবেশের চেষ্টা করার সময় ১,৪৫৭ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৬৭ শতাংশ ইথিওপিয়ার, ৩২ শতাংশ ইয়েমেনের এবং ১ শতাংশ অন্যান্য দেশের নাগরিক। অন্যদিকে, অবৈধভাবে সৌদি আরব থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করার সময় আটক করা হয়েছে আরও ১৯ জনকে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আইন লঙ্ঘনকারীদের পরিবহন, আশ্রয় দেওয়া, নিয়োগ করা কিংবা তাদের অপরাধে সহায়তা করার অভিযোগে ২২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বর্তমানে মোট ৩২,৪৭৯ জন প্রবাসীকে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়ার প্রক্রিয়ার মধ্যে রাখা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৩০,৫৪০ জন পুরুষ এবং ১,৯৩৯ জন নারী।
আটক হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ১৮,৮১৮ জনকে প্রয়োজনীয় ভ্রমণ নথি সংগ্রহের জন্য নিজ নিজ দেশের কূটনৈতিক মিশনে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ৬,৩৫৫ জনকে দেশে ফেরার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার জন্য পাঠানো হয়েছে। এ সময়ে সৌদি থেকে ১২,৯৪৫ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সতর্ক করে দিয়েছে, অবৈধভাবে কাউকে দেশে প্রবেশে সহায়তা করার জন্য, পরিবহন বা আশ্রয় দেওয়ার জন্য কিংবা এ ধরনের ব্যক্তিদের কোনো ধরনের সহায়তা বা সেবার জন্য ১৫ বছরের পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ সৌদি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। এ ধরনের কাজে ব্যবহৃত যানবাহন এবং আশ্রয় দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন