প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে কুমিল্লার আলোচিত স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা আমেনা-জুনাব আলী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সমাজসেবক মো. গোলাম সারোয়ার বলেছেন, "যেকোনো ধর্মীয় উৎসব শুধু একটি সম্প্রদায়ের আনন্দের উপলক্ষ নয়- এটি পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও সুদৃঢ় করারও সুযোগ। মানুষের প্রতি ভালোবাসা, মানবিক আচরণ ও কল্যাণমূলক কাজের মধ্য দিয়েই মানুষের প্রকৃত পরিচয় ফুটে ওঠে।"
আজ মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে কুমিল্লা নগরীর মনোহরপুরে আমেনা-জুনাব আলী ফাউন্ডেশন কার্যালয়ে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার মোকাম ইউনিয়নে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম উৎসব দুর্গাপূজার আয়োজন সাড়ম্বরে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে অনুদান প্রদান ও অন্যান্য সহযোগিতার প্রসঙ্গ তুলে ধরে পূজা আয়োজক ও মন্দির কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকদের উদ্দেশ্যে এসব কথা বলেন।
গোলাম সারোয়ার আরো বলেন, "আমরা সবাই একই সমাজের মানুষ, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বন্ধনে আবদ্ধ। ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে প্রত্যেক মানুষ যেন নিজ নিজ ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান স্বাধীনভাবে, নিরাপদে ও আনন্দের সঙ্গে পালন করতে পারেন, তা নিশ্চিত করা আমাদের সবার নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব। একে অপরের পাশে দাঁড়ানো এবং সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার মধ্য দিয়েই মানবিকতার প্রকৃত পরিচয় প্রকাশ পায়।"
তিনি আরও বলেন, "আমরা চাই, মোকাম ইউনিয়নের প্রতিটি ধর্মের মানুষ শান্তিপূর্ণ পরিবেশে তাঁদের ধর্মীয় উৎসব উদযাপন করবেন এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে একটি সম্প্রীতিপূর্ণ সমাজ গড়ে তুলবেন।" গোলাম সারোয়ার জানান, আমেনা-জুনাব আলী ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই আর্তমানবতার সেবা ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে কাজ করে আসছে। ভবিষ্যতেও মানুষের কল্যাণে এবং সব ধর্মের মানুষের পাশে দাঁড়াতে ফাউন্ডেশনের এ ধরনের সহযোগিতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
উল্লেখ্য, কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার মোকাম ইউনিয়নে শারদীয় দুর্গাপূজা আনন্দঘন, সুশৃঙ্খল ও নির্বিঘ্নে উদযাপনের লক্ষ্যে ৯টি পূজামণ্ডপে আর্থিক অনুদান ও বিভিন্ন সহযোগিতা দিয়েছে আমেনা-জুনাব আলী ফাউন্ডেশন। ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক মো. গোলাম সারোয়ার তাঁর ব্যক্তিগত তহবিল থেকে এসব পূজামণ্ডপে আর্থিক অনুদান প্রদান করেন। শুধু আর্থিক সহায়তাই নয়, পূজামণ্ডপগুলোতে দায়িত্ব পালনকারী স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য নির্দিষ্ট পোশাক এবং পূজা দেখতে আসা দর্শনার্থীদের জন্য বোতলজাত বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থাও করা হয়েছে।
ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা গেছে, মোকাম দুর্গামন্দির, হালগাঁও দুর্গামন্দির, কোরপাই দুর্গামন্দির, লোয়ারচর চৌধুরী বাড়ি মন্দির, কাকিয়ার চর দুর্গামন্দির, শিকারপুর দাসবাড়ি দুর্গামন্দির, দুর্গাপুর নারায়ণ দাসের দুর্গামন্দির, দুর্গাপুর রাধাকৃষ্ণ দুর্গামন্দির এবং মনিপুর সূত্রধর বাড়ি দুর্গামন্দিরে এসব অনুদান ও সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন