ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

টাঙ্গাইলে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মিনহাজ উদ্দিন মিলিটারির দাফন সম্পন্ন


টাঙ্গাইলে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মিনহাজ উদ্দিন মিলিটারির দাফন সম্পন্ন

টাঙ্গাইল পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আলোয়া তারিণী এলাকার নিবাসী মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা মিনহাজ উদ্দিন মিলিটারির দাফন রাষ্ট্রীয়, ধর্মীয় ও সামাজিক মর্যাদায় সম্পন্ন হয়েছে।

মহান মুক্তিযুদ্ধে দেশের স্বাধীনতা অর্জনে অবদান রাখা এই বীর মুক্তিযোদ্ধাকে যথাযথ সম্মান ও মর্যাদার মধ্য দিয়ে শেষ বিদায় জানানো হয়। তাঁর দাফন কার্যক্রমে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদান করা হয়। এ সময় তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয় এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মিনহাজ উদ্দিন মিলিটারির মৃত্যুতে তাঁর পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তাঁর মৃত্যুতে স্থানীয়রা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে হারানোর শোক প্রকাশ করেন।

আরও পড়ুন: দুর্গাপুরে সাংবাদিক হত্যার ২৪ ঘণ্টা পর স্ত্রীর মামলা, আসামি ৮ জনই অজ্ঞাত

দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগ জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টাঙ্গাইলে ৬০ জন স্তন ক্যানসারের মতো কঠিন রোগের সঙ্গে লড়াই করে সুস্থ হয়ে ওঠা নারীদের নিয়ে মিলনমেলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ একদিল হোসেন স্টাফ রিপোর্টার

শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:১৭ পি.এম


টাঙ্গাইলে ৬০ জন স্তন ক্যানসারের মতো কঠিন রোগের সঙ্গে লড়াই করে সুস্থ হয়ে ওঠা নারীদের নিয়ে মিলনমেলা

টাঙ্গাইলে স্তন ক্যানসারের মতো কঠিন রোগের সঙ্গে লড়াই করে সুস্থ হয়ে ওঠা নারীদের নিয়ে টাঙ্গাইলে আয়োজন করা হয়েছে এক মিলনমেলার। এতে অংশ নেন প্রায় ৬০ জন স্তন ক্যানসারজয়ী নারী। সচেতনতা বৃদ্ধি ও রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করা নারীদের সাহস জোগাতেই এ উদ্যোগ বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।

ভয়েস ওভার:

ক্যানসারের কঠিন সময় পেরিয়ে তাঁরা এখন সুস্থ জীবনে ফিরেছেন। চিকিৎসা, মানসিক শক্তি আর পরিবারের সহযোগিতায় নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখছেন তাঁরা। এসব নারীর আনন্দ ভাগাভাগি ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মধ্য দিয়ে স্তন ক্যানসার সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দিতে টাঙ্গাইলে আয়োজন করা হয় এ মিলনমেলার।

শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর সকালে টাঙ্গাইলের ঘারিন্দা ওভারপাসের পূর্ব পাশে চিকলি রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড রিসোর্টে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ হয়ে ওঠা প্রায় ৬০ জন নারীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়।

বাইট: ডা. এস. এম. নাজমুল আলম
সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, অনকোলজি বিভাগ, টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

ভয়েস ওভার:

আয়োজকরা জানান, বিশ্বজুড়ে অক্টোবর মাস স্তন ক্যানসার সচেতনতার মাস হিসেবে পালিত হয়। এ মাসে নারীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রাথমিক পর্যায়ে স্তন ক্যানসার শনাক্ত করতে উৎসাহিত করাই তাঁদের মূল লক্ষ্য। এ উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় প্রতিবছর অক্টোবর মাসে এমন অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে চান তাঁরা।

বাইট: স্তন ক্যানসারজয়ী নারী

ভয়েস ওভার:

চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ হয়ে ওঠা নারীরা জানান, ডা. নাজমুল আলমের কাছ থেকে চিকিৎসা নিয়ে তাঁরা সুস্থ হয়েছেন। এ মিলনমেলায় অংশ নিতে পেরে তাঁদের ভালো লাগছে। তাঁদের মতে, ক্যানসারের মতো কঠিন রোগের চিকিৎসার সময় পরিবারের সদস্যদের পাশে পাওয়া অনেক বড় সৌভাগ্যের বিষয়। পরিবারের সহযোগিতা ও মানসিক সমর্থন তাঁদের এ কঠিন লড়াইয়ে সাহস জুগিয়েছে।

আউট্রো:

ক্যানসার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তকরণে উৎসাহ এবং ক্যানসারজয়ী নারীদের অভিজ্ঞতা অন্যদের কাছে তুলে ধরতে এ আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাউখালীতে কঁচা নদীতে অভিযান: সাড়ে ৫ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ ও ধ্বংস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কাউখালী প্রতিনিধি

শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:১৮ পি.এম


কাউখালীতে কঁচা নদীতে অভিযান: সাড়ে ৫ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ ও ধ্বংস

পিরোজপুরের কাউখালীতে মা ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে 'ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান ২০২৬'-এর অংশ হিসেবে কঁচা নদীতে এক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে নদী থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ এবং পরবর্তীতে তা প্রকাশ্যে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকাল ৫টার দিকে কাউখালী উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে এবং নৌ পুলিশের সার্বিক সহায়তায় কঁচা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে এ অভিযান চালানো হয়।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ হাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে নদী থেকে প্রায় ৫ হাজার ৫০০ মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২২ হাজার টাকা। জব্দকৃত জালগুলো পরবর্তীতে স্থানীয় সর্বসাধারণের উপস্থিতিতে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।অভিযানের বিষয়ে কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রেহানা আক্তার বলেন,"জাতীয় সম্পদ ইলিশ রক্ষা এবং মা ইলিশের নির্বিঘ্ন প্রজনন নিশ্চিতে আমাদের 'জিরো টলারেন্স' নীতি বজায় থাকবে। সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ যাতে নদীতে জাল ফেলতে না পারে, সে লক্ষ্যে দিন-রাত আমাদের তদারকি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ইলিশের বংশবৃদ্ধির সুফল স্থানীয় জেলেসহ সর্বস্তরের জনগণই পাবেন। তাই মা ইলিশ রক্ষায় সবাইকে প্রশাসনকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার আহ্বান জানাচ্ছি।"উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ হাফিজুর রহমান জানান,"উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেহানা আক্তার স্যারের সার্বিক নির্দেশনায় মা ইলিশ রক্ষায় আমরা নিয়মিত টহল দিয়ে যাচ্ছি। নদীর প্রাকৃতিক পরিবেশ ও মা ইলিশের নিরাপত্তায় পুরো প্রজনন মৌসুম জুড়েই আমাদের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারায়ণগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসক , মোঃ রায়হান কবির, দূর্গা পূজার শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ নাজির খান নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩১ পি.এম


নারায়ণগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসক , মোঃ রায়হান কবির, দূর্গা পূজার শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন

শিউলির সুবাসে, শারদীয় স্নিগ্ধতায় আর সম্প্রীতির সুরে মুখরিত হোক নারায়ণগঞ্জ। শুভ শক্তির অনুপ্রেরণা ও মানবতার মহিমায় প্রতিটি হৃদয় ভরে উঠুক আনন্দ, শান্তি ও সৌহার্দ্যে।
সবাইকে জানাই শারদীয় দুর্গাপূজার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

মোঃ রায়হান কবির
জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, নারায়ণগঞ্জ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উদার মানসিকতার একজন মানুষ খন্দকার নিপুণ হোসাইনঃ কল্পনা গল্প লেখক বাদল চৌধুরী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ একদিল হোসেন স্টাফ রিপোর্টার

শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩৭ পি.এম


উদার মানসিকতার একজন মানুষ খন্দকার নিপুণ হোসাইনঃ কল্পনা গল্প লেখক বাদল চৌধুরী

সময়ের খাতায় ১৯৮৬ সালের ১৬ অক্টোবর একটি নাম লেখা হয়েছিল— খন্দকার নিপুণ হোসাইন। শরতের নরম আলোর মতোই স্বচ্ছ একটি মানুষ।

গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার দিঘলকান্দি ইউনিয়নের শান্ত-স্নিগ্ধ সালেংকা গ্রামে। সেই গ্রামের মাটি, ধানের ঘ্রাণ, মেঠো পথের ধুলো আজও যাঁর গায়ে লেগে আছে।

তাঁর শৈশব-কৈশোরের সোনালি দিনগুলো কেটেছে কালিহাতী উপজেলা শহরে— বাবা মায়ের স্নেহের বন্ধনে কালিহাতী পৌরসভার সাতুটিয়া গ্রামে। বাবা-মায়ের কাছেই শিক্ষার হাতেখড়ি হলেও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাজীবনের শুরু সাতুটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। সেখান থেকে পঞ্চম শ্রেণি পাস করে কালিহাতীর ঐতিহ্যবাহী আর এস পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০০২ সালে এসএসসি এবং ঘাটাইল ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে ২০০৪ সালে এইচএসসি পাস করেন।

সরকারি সা'দত কলেজ, করটিয়া থেকে হিসাববিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। সংখ্যার জটিলতায় খুঁজে পেয়েছেন জীবনের শৃঙ্খলা। কিন্তু তিনি শুধু হিসাবের ছাত্র ছিলেন না, ছিলেন সংস্কৃতির ছাত্র। নিয়মিত বিতর্ক করতেন, আবৃত্তি করতেন, বক্তব্য রাখতেন। তাঁর কণ্ঠে ছিল আগুন, যুক্তিতে ছিল আলো। আর সেই আলো থেকেই জন্ম নিল একটি ইতিহাস— সরকারি সা'দত কলেজ ডিবেটিং ক্লাব।

তিনি শুধু একটি ক্লাব প্রতিষ্ঠা করেননি— একটি প্রজন্মের উচ্চারণের স্থপতি, বাচনভঙ্গির নিপুণ কারিগর। কলেজের সময়ের কণ্ঠস্বরের মানচিত্র এঁকেছেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনার মশালে। বিতর্কের অবকাশে তিনি শুধু তর্ক শেখাননি, শিখিয়েছেন শুদ্ধতা, শব্দের শিষ্টাচার, বিনয়ের দৃঢ়তা। আজও কলেজের সবুজ চত্বর, পুরোনো ইটের দেয়াল, অডিটোরিয়ামের নীরবতা— তাঁর কণ্ঠের অনুরণনে কেঁপে ওঠে ফের সংলাপে, রেখে যাওয়া আশা জাগানিয়ায়।

তাঁর সহস্র গুণের ভিড়ে অন্যতম গুণ— তিনি শোনেন, শোনাতে জানেন। বলেন হৃদয় ছুঁয়ে, মায়া মিশিয়ে, দ্যুতি ছড়িয়ে। এই শোনা আর বলার মাঝখানেই— তাঁর নিপুণতার পূর্ণতা, স্বজন মানুষ হয়ে ওঠার গল্প।

খন্দকার নিপুণ হোসাইনের ব্যক্তিত্ব বহুমাত্রিক— পেশাগত জীবনে তিনি অত্যন্ত দক্ষ, দায়িত্ববান ও সৎ। সাংগঠনিকভাবে— তিনি নেতা নন, অভিভাবক। সবাইকে নিয়ে একসাথে চলতে ভালোবাসেন, আগলে রাখতে চান পরম মমতায়। তিনি মানবিক, পরোপকারী। মানুষকে সম্মান দেওয়া তাঁর সবচেয়ে বড় অলঙ্কার।

(নিন্মোক্ত শিরোনামে কয়েকটি চরণে কবিতায় শেষ করতে চাই এই সামান্য লেখা, সময় নিয়ে লিখলে একটা আস্ত গ্রন্থ হবে, নিশ্চয়ই লিখবো)

'নিপুণতার জন্মদিন'

জন্মদিনে আপনাকে নিয়ে লিখতে গেলাম—
কিন্তু শব্দেরা থমকে দাঁড়ালো, ছন্দেরা পথ হারালো,
কারণ আপনাকে নিয়ে কবিতা হয় না নিপুণ ভাই,
আপনাকে নিয়ে লিখতে গেলে তা হয়ে যায় ইতিহাস, হয়ে যায় মহাকাব্য।

খন্দকার নিপুণ হোসাইন— এটা কোনো নাম নয়, এটা একটা প্রতিষ্ঠানের নাম। একটা আশ্রয়ের নাম, একটা ভরসার ঠিকানা।

এটাই তো নিপুণতা—
হাতের নিপুণতা নয়, মনের নিপুণতা,
কথার নিপুণতা নয়, কাজের নিপুণতা,
যে নিপুণতায় মানুষ মানুষকে আপন করে নেয়।

মানুষ ব্যস্ত নিজেকে নিয়ে, আর আপনি ব্যস্ত অন্যকে বড় করতে—
নিজে উচ্চতায় ওঠেন না, অন্যের উচ্চতায় ওঠার সিঁড়ি হন,
নিজের আলোয় অন্যকে আলোকিত করেন।
আর তাই তো আলো নেভে না, আলো জ্বলে, কারণ আপনি অনির্বাণ।

প্রিয় বিতার্কিক— তর্কে আপনি শিল্প,
প্রিয় সংগঠক— সংগঠনে আপনি ছন্দ,
শুধু কথার মালা গাঁথেন না, আপনি শব্দ বোনেন,
আর শব্দের সুতোয়, বাক্যের বুননে— মুগ্ধতার জাল তৈরি করেন, সে জালে একবার আটকালে, কেউ ফিরতে চায় না।

আপনি কেবল জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা নন,
আপনি শিশুদের ভবিষ্যৎ নির্মাণের অভিভাবক।

আপনি টাঙ্গাইলের কৃতি সন্তান—
লৌহজং নদীর ঢেউয়ের কলতানের মতো আপনার কণ্ঠ উচ্চকিত, টাঙ্গাইলের শাড়ির ভাঁজের মতো আপনার সৃজনশীল কর্মে নিপুণতা লেগে থাকে সর্বক্ষণ।

আপনার শেকড় সাদা কাদামাটির—
আপনার মা-বাবা ছিলেন সাদা মনের মানুষ,
ধবল মেঘের মতো সাদা, শিউলির মতো সাদা,
সেই সাদা আলোয় ধুয়েই আপনি আজ এত নির্মল।

আর আপনার ঘর— সে তো আলোর ঘর।
আপনার সহধর্মিণী— তিনিও কর্মে, মর্মে সমান আলোকিত,
তিনিও চাকরি করেন, সংসার করেন, আলো বোনেন—
দু'জন মিলে আপনারা এক আলোর সংসার,
যেখানে চাকরি শুধু জীবিকা নয়, জীবনের ব্রত।

সেই ব্রতের, সেই প্রেমের পূর্ণতা— আপনাদের আদরের ধন, প্রিয় সন্তান সংলাপ খন্দকার।
সংলাপের নামেই তো ভবিষ্যতের সংলাপ লেখা আছে—
বাবার মতোই সে-ও একদিন কথার মালা গাঁথবে, মানুষকে মুগ্ধ করবে।

আজ ১৬ অক্টোবর, এই শুভদিনে বলি,
নিপুণ ভাই— দীর্ঘজীবী হোন,
আপনার বয়স না বাড়ুক, বাড়ুক আ…

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%