প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
তিস্তা পাড়ের অঞ্চলে আবার একটি স্বল্পমেয়াদী বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। উজানে হয়েছে ঢল এবং দেশের অভ্যন্তরে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তা নদীসহ অন্যান্য নদনদীর পানি বেড়ে যাচ্ছে। এর ফলে পানি উন্নয়ন বোর্ড তিস্তায় স্বল্পমেয়াদী বন্যার পূর্বাভাস দিয়েছে।
বুধবার সকালে তিস্তা নদীর ডালিয়া ও কাউনিয়া পয়েন্টে সতর্কতা সংকেত জারি করা হয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র কর্তৃক।
এদিকে, মঙ্গলবার দিবাগত রাত থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলায় মোট ৫৮৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। অব্যাহত বৃষ্টিপাতের প্রভাবে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় অনেক স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। এবং নগরীর বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতায় ভোগান্তির মাত্রা বেড়ে গেছে।
রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের সূত্রে জানা যায়, উজানের ঢল ও ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি অবস্থায় রয়েছে। বুধবার বেলা ১২টায় তিস্তা নদীর ডালিয়া পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ১৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে এবং কাউনিয়া পয়েন্টে তা ৩১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। তবে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির কারণে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এজন্য নীলফামারী ও লালমনিরহাট জেলার নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদী বন্যার পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে।
এদিকে, দেশের অভ্যন্তরেও ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। রংপুর আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, মঙ্গলবার দিবাগত রাত থেকে বুধবার সকাল ৯টা পর্যন্ত রংপুর বিভাগে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৫৪ মিলিমিটার, ঠাকুরগাঁওয়ে ১২২ মিলিমিটার, নীলফামারীতে ৬১ দশমিক ২ মিলিমিটার, নীলফামারীর সৈয়দপুরে ৫৩ দশমিক ৫, দিনাজপুরে ১০৬ দশমিক ৭, কুড়িগ্রাম রাজারহাটে ১১২ মিলিমিটার, লালমনিরহাটে ২৩ মিলিমিটার এবং রংপুরে ৫৩ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
রংপুর আবহাওয়া কর্মকর্তা মোস্তাফিজার রহমান জানিয়েছেন, সক্রিয় মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে রংপুর বিভাগে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। এর ফলস্বরূপ নিম্নাঞ্চলে কোথাও কোথাও জলাবদ্ধতা তৈরি হতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন