প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি ‘অসম্ভব চাপ’ অনুভব করছেন নিজের দায়িত্বে।
তিনি উল্লেখ করেছেন, একজন (সাংবাদিক) তার বক্তব্যে বলেছেন, উনি নির্বাচনের পরে বিভিন্ন জায়গায় যাচ্ছেন এবং মানুষের চোখে-মুখে খুশি দেখেছেন। তাঁর মতে, উনি মনে করেন, একই জিনিস উনি নিজেও দেখেছেন। কিন্তু তারপরেও, অবশ্যই তিনি একটি দায়িত্বের চাপ অনুভব করছেন। এর কারণ হলো, এখানে প্রচুর সমস্যা ও সীমাবদ্ধতা রয়েছে। একই সাথে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেশি। তাই উনি দায়িত্বে ‘অসম্ভব চাপ’ অনুভব করছেন।
বুধবার বিকেলে ঢাকায় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে এসব বক্তব্য দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস এই খবরটি জানায়।
নিজের বাবা ও বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘কয়েকদিন আগে আমি অফিস থেকে বাসায় যাচ্ছি, তখন আমার সাথে যাঁরা ছিলেন, তাঁদের বলছিলাম, আব্বা একদিন বলেছিলেন যে, যদি দিনটা ৪৮ ঘণ্টা হতো, তাহলে আমরা আরো ভালো কাজ করতে পারতাম।’’
তিনি উল্লেখ করেন, আব্বার মতো তিনি বলছিলেন যে, দিনের অর্থাৎ কখন তিনি অফিসে ঢুকছেন এবং কখন সন্ধ্যা হয়ে যাচ্ছে, এটি বুঝতেই পারছেন না। তিনি বলেন, ‘‘আমি দম ফেলানোর টাইমও পাচ্ছি না।’’ তাই, তিনি মনে করেন, যদি দিনটি ২৪ ঘণ্টার পরিবর্তে ৪৮ ঘণ্টার হতো তবে এটি আরো ভালো হতো।
প্রতিহিংসার মানসিকতা পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়ে प्रधानमंत्री বলেন, ‘‘আমি জেলের মধ্য থেকে এসেছি, আমি শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছিলাম। এক্সরে করলে হয়ত দেখা যাবে, আমার পিঠের হাড্ডিটা বাঁকা হয়ে রয়ে গেছে। কারণ, এই সমস্যাটি যথাযথ সময়ে চিকিৎসা করা হয়নি।’’
তিনি আরও বলেন, ‘‘আমি যদি এখন কাউকে দায়ী করে বেড়াই, তাতে আমার হাড্ডি জোড়া লাগবে না। আমি এখনও যেই পেইনটা মাঝে মাঝে অনুভব করি, আমার সেই পেইনটা চলে যাবে না। তাই, আমি মনে করি, ক্ষতির পরিবর্তে দেশের কল্যাণের কথা ভাবতে হবে।’’
তিনি বলেন, গণমাধ্যমের সঙ্গে তাদের শত্রুতা নেই এবং এ কথা বিএনপি সরকার বারবার প্রমাণ করেছে। ‘‘বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে চায়। সরকারের ভুল হতে পারে, তাই গঠনমূলক আলোচনা হওয়া উচিত।’’
গণমাধ্যমের প্রতি সহযোগিতা চেয়ে প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, ‘‘আপনারা আমাকে অনেক সাহায্য করতে পারেন। শুধু সরকার একা পারবে না। আপনার সহযোগিতা আমার প্রয়োজন। আপনার সহযোগিতা না পেলে আমি বুঝতে পারব না, যে কাজটি ভালো হচ্ছে না বা খারাপ হচ্ছে।’’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন