প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, অতিরিক্ত সার ব্যবহারের কারণে অম্লতা বেড়ে মাটির উর্বরতা কমে গেছে। মাটির উর্বরতা আবারও ফিরিয়ে আনতে হবে।
বুধবার (১০ জুন) রাজধানীর খামারবাড়ির মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (এসআরডিআই) মিলনায়তনে প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক কারিগরি কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, আগামীর বাংলাদেশ গড়তে মাটির পিএইচ মান বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। মাটির উর্বরতা বাড়ানোর মাধ্যমে দেশের কৃষি আরও এগিয়ে যাবে। এ বিষয়ে বিজ্ঞানীদের অগ্রসর হতে হবে। কৃষি শক্তিশালী হলে এদেশের ৭৫ ভাগ মানুষের অর্থনীতি শক্তিশালী হবে।
মাটি ও কৃষি বিজ্ঞানীদের উদ্দেশে মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, ‘পৃথিবীর ধনী দেশগুলো বছরের বেশিরভাগ সময় বরফে ঢাকা থাকে। তবে আমাদের দেশে ১২ মাস ফসল ফলানো হয়। আমাদের এই সুযোগ কাজে লাগাতে হবে।’
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘এই দেশ আমাদের। এই পৃথিবী আমাদের। আসুন, সবাই মিলে আগামীকে কিছু দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিই। আমি আশা করি, আপনারা আমাদের সহযোগিতা করবেন। সবাই মিলে চলুন আমরা এগিয়ে যাই। আমরা বিশ্বাস করি, আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর বাংলাদেশ, সুন্দর পৃথিবী রেখে যেতে হবে। এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব ও কর্তব্য।’
মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, ‘মাটিকে নতুন করে সাজাতে (পিএইচ মান বৃদ্ধি) হবে। সর্বাধিক দুই বছরের মধ্যে একটি গবেষণা ফলাফল বের করতে হবে। এই বছরেই আমি দুইটি জায়গায় গবেষণা করার জন্য বলেছি- এক ফসল থেকে আরেক ফসলের মধ্যে ১৫ দিনের গ্যাপ থাকবে। এক বিঘা জমির ওপর আমাকে রিসার্চটা করে দেন। শুধু ৪.৫ পিএইচ এর ভূমিকে চিহ্নিত করেন। তাহলেই কার্যকর হবে, আমি আশা করি, ভালো কিছু হবে।’
মাটির গুণাগুণ নষ্ট হওয়ার পেছনে কীটনাশকও অনেকাংশে দায়ী ইঙ্গিত করে মন্ত্রী বলেন, ‘এদেশে পেস্টিসাইডের অবস্থা দেখেন। আমি মনে করি, এটি আরেকটি কঠিন জগত, আবহাওয়া ধ্বংস হচ্ছে, ফসল ধ্বংস হচ্ছে, মাটি ধ্বংস হচ্ছে এবং মানব স্বাস্থ্য ধ্বংস হচ্ছে। পৃথিবীতে কি পেস্টিসাইড কেউ ব্যবহার করে না? ব্যবহার করে। আমাদের গুণগত মান আরও শক্তভাবে নিয়ন্ত্রণ করার প্রয়োজন আছে বলেই আমি মনে করি।’
কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সম্প্রসারণ মো. সেলিম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ কর্মশালায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ মো. হাসান জাফির তুহিন, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর গোলাম হাফিজ কেনেডি, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম এবং বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক ড. মো. শহিদুল ইসলাম।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন