প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
শেরপুরে মাদকবিরোধী কার্যক্রমে যুক্ত থাকার কারণে ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে শেরপুর সরকারি কলেজ ছাত্রদল এবং ডা. সেকান্দর আলী কলেজ ছাত্রদল।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় শহরের গৌরীপুর এলাকায় অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন শেরপুর সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রায়হান ইসলাম রাব্বী।
লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, সম্প্রতি তিনি এবং ডা. সেকান্দর আলী কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি স্বাধীন মিয়াসহ অন্যরা মাদকবিরোধী সভা-সমাবেশ ও বিভিন্ন কার্যক্রম শুরু করেন। এর ফলস্বরূপ গত ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে গৌরীপুর ব্র্যাক অফিসসংলগ্ন এলাকায় তাদের ওপর হামলা চালানো হয়।
পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে ১২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং ৬ থেকে ৭ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, পুলিশ এ ঘটনায় মো. খোকন মিয়া ও মো. কুরবান আলীকে গ্রেপ্তার করেছে।
সংবাদ সম্মেলনে হামলার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের এবং মাদক ব্যবসায়ীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়। এছাড়া ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিরও দাবি করা হয়।
শেরপুর সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রায়হান ইসলাম রাব্বী বলেন, "ছাত্রসমাজকে সঙ্গে নিয়ে আমরা মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স করতে চাই। যাতে করে আমরাসহ আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম মাদকের দিকে আর ঝুঁকে না পড়ে।"
এ সময় শেরপুর সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল কোরাইশী, ডা. সেকান্দর আলী কলেজ ছাত্রদল সভাপতি মো. স্বাধীন মিয়া, সাধারণ সম্পাদক মো. সৌরভ হাসান, শেরপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্রদল সভাপতি মো. জুয়েল রানা, বিএম কলেজ ছাত্রদল সভাপতি স্বাধীনুর ইসলাম শ্রাবণ, কসবা বিএম কলেজ ছাত্রদল সভাপতি ঝলক আহমেদসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন