প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইসরাইলের নির্বাচনে ভোট চুরির অভিযোগ তুলেছেন। তবে, নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে যে, তার অভিযোগের পরও নির্বাচনের ফলাফল বহাল থাকবে।
কমিশনের প্রধান নোয়াম সোলবার্গ বলেছেন, "বিদেশি হস্তক্ষেপের অভিযোগ প্রমাণিত হলেও তা নির্বাচনি প্রক্রিয়া বা সামগ্রিক ফলকে প্রভাবিত করবে না।" এই সময় তিনি দেশটির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেতের প্রধান এবং অ্যাটর্নি জেনারেলকে সঙ্গে নিয়ে উপস্থিত ছিলেন।
মঙ্গলবারের নির্বাচনে আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলোর আসন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর পর নেতানিয়াহুর দল লিকুদ পার্টি নির্বাচনের ফল নিয়ে প্রশ্ন তোলে। দলটি অভিযোগ করে যে, আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলো ভোট চুরি করেছে এবং কাতারের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণ করেছে, যদিও কাতার এই অভিযোগকে অপপ্রচার বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।
নির্বাচনের দিন ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার আগে আটক তিন রাজনৈতিক কর্মীর মধ্যে দুজনকে পুলিশ মুক্তি দিয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, তারা ভোটারদের ঘুস দেওয়ার জন্য নগদ অর্থভর্তি খাম নিয়ে ছিলেন। একজনকে নির্দিষ্ট কিছু শর্তে এবং অন্যজনকে গৃহবন্দি রাখার নির্দেশ দিয়ে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, আটক কর্মীদের সঙ্গে আরব নেতৃত্বাধীন রা’আম পার্টির সম্পর্ক রয়েছে। এবারের নির্বাচনে দলটি আটটি আসন পেয়েছে। দলটির নেতা মানসুর আব্বাস এই গ্রেপ্তারকে অগণতান্ত্রিক বলে অভিহিত করেছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, নির্বাচনের ফল প্রভাবিত করতেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
বিরোধী নেতা গাদি আইজেনকট নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন যে, তিনি নির্বাচনের ফলকে অবৈধ প্রমাণের জন্য পরিকল্পিত ও সংগঠিত প্রচার চালাচ্ছেন। এর আগে তিনি আরব দলগুলোর সঙ্গে জোট গঠনের সম্ভাবনা নাকচ করেছিলেন। তবে, নির্বাচনের পর সরকার গঠনে অচলাবস্থা তৈরি হওয়ায় আরব দলগুলোর সমর্থন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
নির্বাচনে নেতানিয়াহুর জোট ৫৩টি আসন পেয়েছে। আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট ৪৮টি আসন লাভ করেছে। ইসরাইলের পার্লামেন্ট নেসেটের মোট আসন সংখ্যা ১২০। ফলে, কোনো পক্ষই এককভাবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি।
এবারের নির্বাচনে তিনটি আরব নেতৃত্বাধীন দল মোট ১৯টি আসন পেয়েছে, যা দেশটির নির্বাচনে আরব দলগুলোর সর্বোচ্চ আসনসংখ্যা। আইজেনকটের সঙ্গে আরব দলগুলো জোট গঠন করলে ৬৭ আসনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা তৈরি হতে পারে। তবে, ইসরাইলের অনেকের কাছে এমন জোট রাজনৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয়।
এ সপ্তাহেই নির্বাচনের ফল আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন করার কথা রয়েছে। এরপর দেশটির প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ সরকার গঠনের জন্য একজন প্রার্থীকে মনোনীত করবেন।
এএম
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন