প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আজ বুধবার, দেশের উচ্চশিক্ষার সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হচ্ছে। এই উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাস এবং নগর কার্যালয়ের ভবনগুলোতে ব্যানার স্থাপন করা হয়েছে, বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশিত হয়েছে এবং কেন্দ্রীয় মসজিদে দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে।
জাতীয় সংসদে ১৯৯২ সালের ২০ অক্টোবর ৩৭ নম্বর আইন পাসের মাধ্যমে এবং পরদিন গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য ছিল দেশের উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ, বিদ্যমান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওপর চাপ কমানো এবং জেলা-উপজেলা পর্যায়ে কলেজশিক্ষার সমন্বিত ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মধ্যবিত্ত, নিম্নমধ্যবিত্ত ও প্রান্তিক পরিবারের তরুণ-তরুণীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ সৃষ্টিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ২ হাজার ৩১৮টি কলেজ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রায় ৪০ লাখ শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। এসব প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক সংখ্যা এক লাখেরও বেশি।
দেশের সামগ্রিক উচ্চশিক্ষার প্রায় ৭০ শতাংশ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতায় পরিচালিত হয়। এখন পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি এক কোটিরও বেশি স্নাতক ডিগ্রিধারী তৈরি করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, এসব স্নাতক দেশে-বিদেশে শিক্ষা, প্রশাসন, ব্যবসা-বাণিজ্য, প্রযুক্তি ও সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখছেন।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে তাল মেলানোর জন্য এবং চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিক্ষাক্রম আধুনিকায়ন, শিক্ষক প্রশিক্ষণের পরিধি বাড়ানো, সেশনজট নিরসন ও গবেষণার সুযোগ সম্প্রসারণে কাজ করছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের পাশাপাশি শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নেও গুরুত্ব দিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। দেশের বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীকে মানসম্মত উচ্চশিক্ষার আওতায় আনতে এসব উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন