ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার


আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার

বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্য বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ক্রমাগতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই বর্ধিত বাণিজ্যিক লেনদেনকে সচল রাখতে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার ওঠানামা করছে।

বাজারে বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা মেটানোর জন্য যথেষ্ট জোগান থাকা সত্ত্বেও, গত কয়েক দিন ধরে ডলারের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং টাকার মান কমছে। কেন্দ্রীয় ও বাণিজ্যিক ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসের প্রথম দিকে ডলারের দাম ছিল ১২২ টাকা ৭০ পয়সা, যা বর্তমানে বেড়ে ১২৩ টাকা ২৫ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক এবং দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর তথ্য অনুযায়ী আজকের (১২ অক্টোবর ২০২৬) সর্বনিম্ন মুদ্রা বিনিময় হারের একটি সার্বিক চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো—

আরও পড়ুন: দেশে ২২ ক্যারেট সোনার ভরি ২ লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকা

মুদ্রার নাম বাংলাদেশি টাকা

ইউএস ডলার : ১২২ টাকা ২৫ পয়সা

ইউরো : ১৩৮ টাকা ০৫ পয়সা

পাউন্ড : ১৬৩ টাকা ০৭ পয়সা

আরও পড়ুন: বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৬.৩৯ বিলিয়ন ডলার

কানাডিয়ান ডলার : ৮৬ টাকা ৪৩ পয়সা

অস্ট্রেলিয়ান ডলার : ৮৬ টাকা ০৫ পয়সা

চায়নিজ ইয়েন : ১৮ টাকা ৪১ পয়সা

সিঙ্গাপুরি ডলার : ৯৬ টাকা ২০ পয়সা

আরও পড়ুন: দেশের অর্থনীতি তিন কাঠামোগত ফাঁদে আটকে, দারিদ্র্য ও বিনিয়োগে স্থবিরতা

ভারতীয় রুপি : ১ টাকা ২৭ পয়সা

মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত : ৩০ টাকা ১৮ পয়সা

সৌদি রিয়াল : ৩২ টাকা ৮০ পয়সা

কাতারি রিয়াল : ৩৩ টাকা ৭৪ পয়সা

আরও পড়ুন: চাহিদার চেয়ে বেশি ফল আমদানি, তবু দাম নাগালের বাইরে

কুয়েতি দিনার : ৩৯৬ টাকা ১৬ পয়সা

আরব আমিরাতের দিরহাম : ৩৩ টাকা ৫৫ পয়সা

*মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।

আর্থিক খাতের বিশ্লেষকদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর মনিটরিং এবং প্রবাস আয়ের (রেমিট্যান্স) প্রবাহ ইতিবাচক থাকায় খোলাবাজার ও অফিশিয়াল রেটের মধ্যে ব্যবধান অনেকটাই কমে এসেছে। আমদানিকারক ও সাধারণ ব্যবসায়ীদের জন্য এটি কিছুটা স্বস্তিদায়ক।

আরও পড়ুন: চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্যের ভুল ঘোষণায় কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকি উদ্ঘাটন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারীর স্বাস্থ্যসেবায় ২৭ কোটি ৫০ লাখ ইউরোর প্রকল্প, নিয়োগ হবে ১ লাখ কর্মী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:০১ পি.এম


নারীর স্বাস্থ্যসেবায় ২৭ কোটি ৫০ লাখ ইউরোর প্রকল্প, নিয়োগ হবে ১ লাখ কর্মী

নারীর স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, ক্যান্সার প্রতিরোধ ও চিকিৎসার সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জরুরি স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ২৭ কোটি ৫০ লাখ ইউরোর আন্তর্জাতিক অর্থায়ন উদ্যোগের ঘোষণা দিয়েছে।

এই অর্থায়ন কাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে ইউরোপীয় বিনিয়োগ ব্যাংকের (ইআইবি) ২৫ কোটি ইউরোর রেয়াতি ঋণ এবং জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের (ইউএনএফপিএ) ২ কোটি ৫০ লাখ ইউরো অনুদান সংগ্রহের উদ্যোগের মাধ্যমে। সরকার এক লাখ কমিউনিটি স্বাস্থ্যকর্মী এবং অতিরিক্ত ২৫ হাজার পেশাদার মিডওয়াইফ নিয়োগের উদ্যোগও ঘোষণা করেছে।

রবিবার (১১ অক্টোবর) জার্মানির বার্লিনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলন ২০২৬-এর অংশ হিসেবে জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল আয়োজিত ‘দ্য মোমেন্ট ইজ নাউ: আনলকিং নিউ ক্যাপিটাল ফর উইমেনস হেলথ বিয়ন্ড এইড’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের এসব উদ্যোগ তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশের ফার্স্ট লেডি ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান।

তিনি নারীর স্বাস্থ্যসেবায় প্রচলিত বৈদেশিক সাহায্যনির্ভরতার বাইরে গিয়ে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন। তার বক্তব্যে কিশোরী ও নারীর স্বাস্থ্যসেবা, মাতৃ ও নবজাতকের সুরক্ষা, ক্যান্সার প্রতিরোধ এবং স্থানীয় পর্যায়ে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পায়।

ডা. জুবাইদা রহমান অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়াতে ইউরোপীয় বিনিয়োগ ব্যাংকের সঙ্গে ২৫ কোটি ইউরোর রেয়াতি ঋণ অর্থায়নের চুক্তির কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল অতিরিক্ত ২ কোটি ৫০ লাখ ইউরো অনুদান সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে এবং সংস্থাটি এ কার্যক্রমে প্রয়োজনীয় কারিগরি সহযোগিতা দেবে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, ইউরোপীয় বিনিয়োগ ব্যাংকের ঋণের ১৫ কোটি ইউরো ব্যয় করা হবে জরায়ুমুখ ও স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধ, প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তকরণ, রোগনির্ণয় এবং চিকিৎসাসেবার সক্ষমতা বাড়াতে। এ ক্ষেত্রে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে ক্যান্সার প্রতিরোধ ও পরীক্ষা কার্যক্রম যুক্ত করার পাশাপাশি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও জেলা হাসপাতালের রোগনির্ণয়, রেফারেল এবং চিকিৎসাসেবা উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

অবশিষ্ট ১০ কোটি ইউরো ব্যয় করার পরিকল্পনা রয়েছে জরুরি ও নিবিড় পরিচর্যাসেবা সম্প্রসারণে। এর আওতায় নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ), নবজাতকের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (এনআইসিইউ), হৃদরোগীদের করোনারি কেয়ার ইউনিট (সিসিইউ) এবং অন্যান্য জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসাসেবার সক্ষমতা বাড়ানো হবে।

এই অর্থায়ন উদ্যোগের মাধ্যমে নারীর স্বাস্থ্যসেবাকে কেবল মাতৃস্বাস্থ্য বা সন্তান জন্মদানের সময়কার চিকিৎসার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে জীবনচক্রভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আনার পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছে।

ডা. জুবাইদা রহমান অনুষ্ঠানে বলেন, নারীর স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগকে শুধু সামাজিক বা স্বাস্থ্য খাতের ব্যয় হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়। এটি মানবসম্পদ উন্নয়ন, অর্থনৈতিক উৎপাদনশীলতা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কল্যাণে একটি কৌশলগত বিনিয়োগ।

তিনি বলেন, ‘নারীর স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ কেবল স্বাস্থ্যসেবার ব্যয় নয়। এটি মানবসম্পদ, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং আমাদের জাতির ভবিষ্যতের জন্য একটি বিনিয়োগ।’

বাংলাদেশে নারীশিক্ষা, পরিবার পরিকল্পনা ও নারীর ক্ষমতায়নের ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতা তুলে ধরে তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদানের কথা স্মরণ করেন।

ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, গ্রামীণ উন্নয়ন, পরিবার পরিকল্পনা ও জনগণের অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে জিয়াউর রহমান সামাজিক উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি তৈরি করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে বেগম খালেদা জিয়া নারীশিক্ষা ও ক্ষমতায়নে বিশেষ ভূমিকা রাখেন। বিশেষ করে মাধ্যমিক পর্যায়ে মেয়েদের উপবৃত্তিসহ বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে বিপুলসংখ্যক কিশোরীর শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারিত হয়।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার এই ধারাবাহিকতা এগিয়ে নিয়ে নারীর স্বাস্থ্যখাতে নতুন প্রজন্মের রূপান্তরমূলক বিনিয়োগ বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, ‘আমাদের সরকার একটি সুস্পষ্ট রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে—কিশোরী ও নারীরাই হবে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা রূপান্তরের কেন্দ্রবিন্দু।’

তিনি প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালী করতে এক লাখ কমিউনিটি হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিয়িং কর্মী এবং অতিরিক্ত ২৫ হাজার পেশাদার মিডওয়াইফ নিয়োগের উদ্যোগের কথা জানান।

এই উদ্যোগের লক্ষ্য কমিউনিটি পর্যায়ে প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, নিরাপদ ও স্বাভাবিক প্রসব উৎসাহিত করা এবং প্রতিরোধযোগ্য মাতৃ ও নবজাতকের মৃত্যু কমিয়ে আনা।

সরকার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে সমন্বিত মাতৃ ও নবজাতক স্বাস্থ্যসেবার নির্ভরযোগ্য কেন্দ্রে পরিণত করতে চায়। এতে স্বাভাবিক প্রসবের পাশাপাশি জরুরি প্রসূতি ও নবজাতকের চিকিৎসাসেবাও নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, ‘সমন্বিত ও অপরিহার্য মাতৃ ও নবজাতক স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার জন্য কোনো নারীকে যেন তার উপজেলা হাসপাতালের বাইরে যেতে না হয়—এটাই আমাদের লক্ষ্য।’

জটিল পরিস্থিতিতে বিশেষায়িত চিকিৎসার প্রয়োজন হলে কার্যকর রেফারেল ব্যবস্থা রাখার ওপরও গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, সাধারণ ও অপরিহার্য মাতৃস্বাস্থ্যসেবা নারীদের নিজ নিজ এলাকার কাছাকাছি নিশ্চিত করা জরুরি।

তিনি বলেন, এ উদ্যোগ শুধু স্বাস্থ্য অবকাঠামো সম্প্রসারণের বিষয় নয়; এর সঙ্গে সমতা, মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার প্রশ্নও জড়িত।

ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, সরকারের পরিকল্পনা শুধু মাতৃস্বাস্থ্যের উন্নয়নে সীমাবদ্ধ নয়। কিশোরীদের পুষ্টি, রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধ, যৌন ও প্রজননস্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা, মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবা এবং জরায়ুমুখ ও স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধ ও চিকিৎসাকে সমন্বিতভাবে এগিয়ে নেওয়া হবে।

এ ক্ষেত্রে নারীর জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তকরণ ও চিকিৎসার সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি জরুরি পরিস্থিতিতে জীবনরক্ষাকারী সেবা পাওয়ার সক্ষমতা বৃদ্ধিও পরিকল্পনার অংশ।

আন্তর্জাতিক অর্থায়ন ও কারিগরি সহযোগিতাকে কাজে লাগিয়ে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার বিদ্যমান সক্ষমতা বাড়ানো এবং স্থানীয় পর্যায়ে সেবার পরিধি সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে অনুষ্ঠানে।

জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংস্থাটির চিফ অব স্টাফ ড. নিগিনা মুনতিয়ান। মূল বক্তব্য দেন জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল ও ইউএনএফপিএর নির্বাহী পরিচালক ড. দিয়েন কেইতা।

আলোচনায় অংশ নেন—বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস. এম. জিয়াউদ্দিন হায়দার, জার্মানির ফেডারেল অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের পার্লামেন্টারি স্টেট সেক্রেটারি ড. বারবেল কফলার, ঘানার স্বাস্থ্যমন্ত্রী কোয়াবেনা মিন্টাহ আকানদোহ এবং ইউরোপীয় বিনিয়োগ ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট মারেক মোরা।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনের এ আয়োজনে নারীর স্বাস্থ্য খাতে নতুন অর্থায়ন, আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা জোরদারের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তন আনার বিষয়টি গুরুত্ব পায়। বাংলাদেশের উপস্থাপিত উদ্যোগে ক্যান্সার প্রতিরোধ ও চিকিৎসা, জরুরি স্বাস্থ্যসেবা এবং কমিউনিটি পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণকে একই কাঠামোর আওতায় আনার পরিকল্পনা কথাও তুলে ধরা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বকশীগঞ্জে নিখোঁজ গৃহবধূর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার আটক- ৪

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মো:নিয়াজ মোরশেদ জামালপুর(বকশীগঞ্জ) প্রতিনিধি

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৪৮ পি.এম


বকশীগঞ্জে নিখোঁজ গৃহবধূর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার আটক- ৪

জামালপুরের বকশীগঞ্জে হাইওয়ে সড়কের পাশে ঝোপ থেকে রোজিনা আক্তার (৩০) নামে এক গৃহবধূর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার (১২ অক্টোবর) সকালে কামালপুর হাইওয়ে সড়কে একটি ঝোপ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের শাশুড়ি ও ভাসুরসহ চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনো জানা যায়নি।

নিহত রোজিনা আক্তার বকশীগঞ্জ উপজেলার বাট্টাজোড় ইউনিয়নের দক্ষিণ দত্তেরচর এলাকার ওয়াজেদ আলীর মেয়ে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানাগেছে, গত শুক্রবার জুমার নামাজের পর থেকে রোজিনা নিখোঁজ ছিলেন। স্বজনেরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান পাননি। সোমবার (১২ অক্টোবর) ভোরে কামালপুর হাইওয়ে সড়কের পশ্চিম পাশে একটি ঝোপ থেকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন সেখানে গিয়ে অর্ধগলিত মরদেহ দেখতে পান। পরে স্বজনেরা মরদেহটি রোজিনা আক্তারের বলে শনাক্ত করেন।
খবর পেয়ে বকশীগঞ্জ থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। এদিকে ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে।

বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মকবুল হোসেন জানান, গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তিনি আরো জানান,এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৪ জনকে আটক করা হয়েছে।
মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের বিভিন্ন কারাগারে বন্দি মায়েদের সঙ্গে ৩০৩টি শিশু রয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৫৮ পি.এম


দেশের বিভিন্ন কারাগারে বন্দি মায়েদের সঙ্গে ৩০৩টি শিশু রয়েছে

সমাজ সেবা অধিদফতর হাইকোর্টে একটি প্রতিবেদন দাখিল করেছে, যেখানে বলা হয়েছে দেশের বিভিন্ন কারাগারে বন্দি মায়েদের সঙ্গে ৩০৩টি শিশু রয়েছে। এই শিশুদের মায়েদের মধ্যে অধিকাংশই মাদক মামলার আসামি। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, কন্যাশিশুর সংখ্যা ১৫৩টি এবং ছেলেশিশুর সংখ্যা ১৪৬টি। এই শিশুদের মায়েদের মধ্যে কেউ সাজা ভোগ করছেন, আবার কেউ বিচারাধীন মামলায় রয়েছেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, অপরাধী সংশোধন ও পুর্নবাসন সমিতির মাধ্যমে এসব শিশুর নিয়মিত খোঁজ খবর নেয়া হচ্ছে। শিশুদের জন্য খেলনা, পোশাক, এবং শিশু খাদ্য সরবরাহ করা হচ্ছে। সমাজসেবা অধিদফতর শিশুদের সর্বোত্তম স্বার্থে তাদের পছন্দের নিকটাত্মীয়দের কাছে অথবা সরকারি শিশু পরিবারের কাছে রাখার সুপারিশও করেছে।

হাইকোর্টের কাছে প্রতিবেদন দাখিলের আগে, গত ১৫ জুন দেশের বিভিন্ন কারাগারে বন্দি মায়েদের সঙ্গে থাকা শিশুদের সংখ্যা ও বয়সের বিবরণ জানতে চেয়ে কারা কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন চাওয়া হয়েছিল। তবে তারা এখনও প্রতিবেদন দাখিল করেনি।

এই রিটটি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী কামরুন নাহার মাহমুদ দীপারের পক্ষ থেকে দায়ের করা হয়েছিল। বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী এবং বিচারপতি মো. জিয়াউল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ ও রুল জারি করেছে। অবকাশকালীন ছুটির পর এই রিটের চূড়ান্ত শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জনগণের সরকার বলেই বাজারের সঙ্গে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয়: অর্থ উপদেষ্টা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৫৯ পি.এম


জনগণের সরকার বলেই বাজারের সঙ্গে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয়: অর্থ উপদেষ্টা

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর মন্তব্য করেছেন যে, সরকার জনগণের জন্যই বাজারের সঙ্গে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করছে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) ব্যাংককের থাই চেম্বারের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই কথা বলেন।

রাশেদ তিতুমীর জানিয়েছেন, থাই চেম্বার বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নে আগ্রহী। সরকারের লক্ষ্য হলো মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (এফটিএ) মাধ্যমে আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর বাজারে বাংলাদেশের রফতানি বৃদ্ধি করা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%