প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজে নবীনবরণ অনুষ্ঠান ও কনসার্ট বন্ধের দাবি উঠেছিল কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের আপত্তির কারণে। তবে, শেষ পর্যন্ত একটি সমঝোতার মাধ্যমে সুষ্ঠু ও জাঁকজমকপূর্ণভাবে অনুষ্ঠান দুটি সম্পন্ন হয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় কলেজের মূল ভবনের সামনে শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠান শুরু হয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ ছাত্রদলের আয়োজনে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল।
এছাড়া, কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর এ.কে.এম. ওবায়দুল হক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সহসভাপতি ভিপি জহিরুল হক খোকন এবং সদস্য হাফিজুর রহমান মোল্লা কচিসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, নবীনবরণ অনুষ্ঠান শেষে বিকেল ৩টায় কলেজের দক্ষিণ ভবনের মাঠে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হয়। এতে ব্যান্ড হাইওয়ে ছাড়াও স্থানীয় সংগীতশিল্পীরা গান পরিবেশন করেন। কনসার্ট উপভোগ করতে হাজারো শ্রোতা ও দর্শনার্থী উপস্থিত হন।
কনসার্টে উপস্থিত দর্শনার্থী তৌফিকুল ইসলাম রানা কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘নবীনবরণ অনুষ্ঠান নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে নানারকম কথা শোনা গেলেও অনুষ্ঠানে সেরকম কিছুই হয়নি। বরং অনেক সুন্দর আয়োজনে এবং সুষ্ঠুভাবেই অনুষ্ঠান শেষ হয়েছে। কনসার্টেও কোনোরকম বিশৃঙ্খলা দেখা যায়নি।’
এ বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর এ কে এম. ওবায়দুল হকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে কালের কণ্ঠকে তিনি বলেন, ‘আমি এখন একটা মিটিংয়ে আছি। শেষ করে কথা বলছি।’
এর আগে নবীনবরণ উপলক্ষে কনসার্ট আয়োজনের বিরোধিতা করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপি দেয় কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদ। পরে সংসদ সদস্যের হস্তক্ষেপে বিষয়টি নিয়ে সমঝোতা হয়।
সমঝোতার পর ‘অশ্লীলতা হবে না’—এই শর্তে কলেজের দক্ষিণ ক্যাম্পাসের ভেতরের মাঠে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের বিষয়ে একমত হন কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ। শেষ পর্যন্ত সেই সমঝোতার ভিত্তিতেই অনুষ্ঠিত হয় নবীনবরণ ও কনসার্ট।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন