প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মাদক বিক্রিতে রাজি না হওয়ায় হামলার দাবি, মাথায় ৪–৫ সেলাই; থানায় অভিযোগের পরও তদন্তে অগ্রগতি নেই বলে অভিযোগ
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের শিমলাপাড়া এলাকায় যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সেলিমের বিরুদ্ধে মাদক বিক্রি ও মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। একই সঙ্গে মাদক বিক্রিতে সহযোগিতা করতে রাজি না হওয়ায় এক ব্যক্তিকে মারধর করে গুরুতর আহত করার অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগীর দাবি, গত কয়েকদিন ধরে সেলিম তাকে বিভিন্ন ধরনের প্রলোভন ও চাপ প্রয়োগ করে মাদক বিক্রির কাজে সম্পৃক্ত হওয়ার জন্য প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। কিন্তু তিনি এতে রাজি না হওয়ায় তার ওপর ক্ষুব্ধ হন সেলিম।
ভুক্তভোগী গণমাধ্যমের কাছে দেওয়া বক্তব্যে বলেন, পরবর্তীতে বাংলাবাজার এলাকায় তাকে একা পেয়ে অতর্কিত হামলা চালানো হয়। এ সময় তার মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে গোপালপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে মাথায় চার থেকে পাঁচটি সেলাই দিতে হয় বলে জানান তিনি।
ঘটনার পর তিনি থানায় অভিযোগ করেছেন বলেও দাবি করেন। তবে অভিযোগ করার পরও পুলিশের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো তদন্ত বা কার্যকর অগ্রগতি তার চোখে পড়েনি বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।
এখানেই শেষ নয়—ভুক্তভোগীর আরও অভিযোগ, হামলার ঘটনার পর তার বাবা-মাসহ পরিবারের সদস্যদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এতে তিনি ও তার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছেন বলে দাবি করেন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, শিমলাপাড়া এলাকায় মাদক কেনাবেচা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নানা অভিযোগ ও আলোচনা রয়েছে। কিন্তু রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা প্রভাবের কারণে কেউ যদি মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত হন, তাহলে সেই অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত না হলে সাধারণ মানুষের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হওয়া স্বাভাবিক।
প্রশ্ন উঠছে—একজন ব্যক্তি থানায় লিখিত অভিযোগ করার পরও যদি তদন্তের দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকে, তাহলে একজন ভুক্তভোগী নিরাপত্তা চাইবে কার কাছে?
এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীর দাবি, অভিযোগটি কোনো রাজনৈতিক বিবেচনায় নয়, বরং নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হোক। হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করারও দাবি জানিয়েছেন তারা।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে সত্য-মিথ্যা যাচাই করবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। কারণ মাদকের অভিযোগ হোক কিংবা হামলার অভিযোগ—অভিযুক্তের পরিচয় নয়, প্রমাণই হওয়া উচিত আইনি ব্যবস্থার ভিত্তি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন