প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ইউক্রেন চলতি বছরে অন্যতম বৃহৎ ড্রোন হামলা পরিচালনা করেছে, যা রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। শনিবার গভীর রাতে ইউক্রেনীয় বাহিনী এই হামলা সম্পন্ন করে, যা রাশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ সেন্ট পিটার্সবার্গ তেল টার্মিনালে আঘাত হানে।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে তারা ১,০১৫টি ইউক্রেনীয় ড্রোনকে গুলি করে ভূপাতিত করেছে। তবে হামলার ফলে সেন্ট পিটার্সবার্গের ওই প্রধান তেল টার্মিনালে আগুন লেগে যায়। এছাড়াও, একটি লজিস্টিক সেন্টার এবং একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ডেটা সেন্টারও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের মতে, এই ড্রোন হামলায় অন্তত একজন নিহত এবং পাঁচজন আহত হয়েছেন।
এই ঘটনার ফলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির মধ্যে সম্পর্ক আরও তিক্ত হয়ে উঠেছে। ট্রাম্প সম্প্রতি ইউক্রেনের রাশিয়ার তেল শোধনাগারে হামলাকে অনুচিত বলে মন্তব্য করেছেন এবং দাবি করেছেন যে দুই দেশ জ্বালানি খাতে হামলা না চালানোর বিষয়ে সম্মত হয়েছে। তবে কিয়েভ কিংবা মস্কো—কোনো পক্ষই এমন চুক্তির কথা স্বীকার করেনি।
জেলেনস্কি জানিয়েছেন, তথাকথিত ওই আলোচনার পরও রাশিয়া ইউক্রেনের জ্বালানি ও গ্যাস খাতে অন্তত ৭৬ বার হামলা চালিয়েছে। ফলে ইউক্রেনও পাল্টা জবাব দিতে শুরু করেছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জেলেনস্কি অভিযোগ করেন, রাশিয়াকে সমর্থন দেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি ‘ঐতিহাসিক ভুল’ হবে। ট্রাম্প সম্প্রতি রাশিয়ার ওপর থেকে কিছু অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ায় জেলেনস্কি বলেন, এটি রাশিয়ার যুদ্ধ ও আগ্রাসনকে আরও উৎসাহিত করবে। মার্কিন চাপ ও গোয়েন্দা তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে নানা বাঁধা সত্ত্বেও নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায় ড্রোন হামলা চালিয়ে যাওয়ার স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে ইউক্রেন।
সূত্র: সিএনএন
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন