০৫:৩৫ পি.এম
একটি বাবার সামনে তার ছেলেকে খুন করার অভিযোগে মনির হোসেন নামের এক ব্যক্তিকে ২৫ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেছে আদালত। ২০ টাকার জন্য এই হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছিল।
ডেমরার গোপীবাগে, যা বর্তমানে ওয়ারী থানার অন্তর্ভুক্ত, ২৫ বছর আগে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় রবিবার (৩০ অগাস্ট) ঢাকার ১৩তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জাহিদুল ইসলাম এই রায় দেন।
আরও পড়ুন: রাজধানীর আগারগাঁও মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে ককটেল বিস্ফোরণ, পুলিশ তদন্ত শুরু
আসামি পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারি সোহেল মিয়া জানান, আসামির ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। অনাদায়ে তাকে আরো তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০০১ সালের ৪ ডিসেম্বর বিকেল ৪টার দিকে নজির আহম্মদ ও তার ছেলে বিপ্লব ওরফে বশির (১৮) গোপীবাগ এলাকার মসজিদ থেকে নামাজ পড়ে বের হন। মনির দ্রুতগতিতে নজির আহম্মদের পাশ দিয়ে চলে গিয়ে বশিরকে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছুরিকাঘাত করে।
আরও পড়ুন: পাকিস্তান সফর শেষে আজ ঢাকায় আসছেন লিউ হাইশিং
বিপ্লবের চিৎকার শুনে নজির আহম্মদসহ কয়েকজন মনিরকে ধরে ফেলেন। পরে বিপ্লবকে উদ্ধার করে প্রথমে মনোয়ারা হাসপাতালে, এরপর ন্যাশনাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানকার চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এই ঘটনায় নজির আহম্মদ ডেমরা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পরে মনিরকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়। মামলাটি তদন্ত করে পরের বছরের ৩১ মার্চ মনিরকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র জমা দেন ডেমরা থানার এসআই আ. জব্বার। তদন্তে জানা যায়, মনিরের কাছ থেকে বিপ্লব ২০ টাকা ধার নিয়েছিল। এই টাকা ফেরত না দেওয়ার কারণে মনির বিপ্লবকে খুন করেন।
আরও পড়ুন: দিশার সঙ্গে বিরোধের পর তাহসিফ টঙ্গীর মাঠে হেরোইন খুঁজতে যান
২০০২ সালের ৩ সেপ্টেম্বর আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়।
বিচার চলাকালে আদালত ৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করে। ২০০৯ সালে মনিরকে জামিন দেওয়া হলেও ২০১৩ সালের ৩১ অক্টোবর তার জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। তবে তিনি এখনও পলাতক রয়েছেন। আজ আদালত মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আসামির সাজার রায় ঘোষণা করেছে।
আরও পড়ুন: সেভেন সিস্টার্সে বিদ্যুৎ পৌঁছাতে বাংলাদেশের ওপর ভারতের নির্ভরতা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন