প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সিলেট এবং এর পার্শ্ববর্তী এলাকা সমন্বিত, পরিকল্পিত, টেকসই ও আধুনিক পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে শুরু করছে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিউক)।
আগামী ২৫ আগস্ট, মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রধান কার্যালয়ে এর উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। একই দিন, বেলা ১১টায় নগরের বন্দরবাজার-সংলগ্ন এলাকায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজনও করা হয়েছে।
রবিবার, অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সিউকের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী এই তথ্য দিয়েছেন।
সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন-২০২৩-এর আওতায় গঠিত এ কর্তৃপক্ষের মূল লক্ষ্য হলো আধুনিক ও পর্যটন নগরী প্রতিষ্ঠা করা, সুষম ও পরিকল্পিত উন্নয়ন নিশ্চিত করা, ভূ-প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ করে পর্যটন অবকাঠামোর উন্নয়ন সাধন করা।
কর্তৃপক্ষের আওতাধীন এলাকা নির্ধারণের প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে সিলেট সদর, দক্ষিণ সুরমা, গোলাপগঞ্জ ও বিশ্বনাথ উপজেলার ৪১টি ইউনিয়ন ও সিটি করপোরেশন এলাকা অন্তর্ভুক্ত করার ব্যাপারে। প্রস্তাবিত এলাকার আয়তন প্রায় ১,১৬৮ বর্গ কিলোমিটার।
সিউকের ঘোষিত কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে ভূমির যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিত করা, ভবন নির্মাণ ও অনুমোদন সংক্রান্ত কার্যক্রম, নতুন আবাসন প্রকল্প গ্রহণ করা, নিম্নবিত্ত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আবাসন সমস্যা সমাধান করা, নাগরিক সুবিধা সৃষ্টি ও সংরক্ষণ করা, পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধ করা এবং পর্যটনবান্ধব অবকাঠামো উন্নয়ন নিশ্চিত করা। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি, উড়ালসেতু, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও নালা-খাল-নদী উন্নয়নসহ প্রকল্প নেওয়ার সুযোগ থাকবে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের স্থায়ী অফিস স্থাপন করা, দুটি জোনাল অফিসের স্থান নির্বাচন করা, বিভিন্ন আবাসন প্রকল্পে সবুজায়ন, গ্রিন বিল্ডিং সার্টিফিকেশন দেওয়া এবং নিম্নআয়ের মানুষের জন্য আবাসনসহ বেশ কিছু পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সিলেট-তামাবিল সড়ক ও বাদাঘাট এলাকার আবাসিক উন্নয়ন, বিভিন্ন সংযোগ সড়ক, বাইপাস ও ফ্লাইওভার নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে।
সিউকের চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদা) রেজাউল হাসান কায়েস লোদী সাংবাদিকদের আগামী ২৫ আগস্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
উদ্বোধনের পর সরকারি দপ্তর, পেশাজীবী সংগঠন ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং নগর উন্নয়নবিষয়ক সেমিনার বা সিম্পোজিয়াম আয়োজনের কথাও জানানো হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন