প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পিরোজপুরে একটি প্রাইভেট কোচিং ব্যাচে দশম শ্রেণির একজন শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে অভিযুক্ত পিরোজপুর টাউন মাধ্যমিক বিদ্যালয়-এর সরকারি প্রধান শিক্ষক নির্মল চন্দ্র ভদ্রকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
বুধবার বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক মো. নজরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে এই বরখাস্তের সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
এর আগে, গত ৮ জুন, নির্মল চন্দ্র ভদ্রকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়েছিল। তবে তার জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় বুধবার তার বিরুদ্ধে সাময়িক বরখাস্তের ঘোষণাটি দেয়া হয়েছে, যা বরখাস্তাদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়াও, ঘটনাটি যথাযথভাবে মোকাবিলায় অবহেলার অভিযোগে করিমুন্নেসা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম, টাইম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম এবং জেলা শিক্ষা অফিসারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে যে, গত ২২ মে, পিরোজপুর শহরের করিমুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির এক ছাত্রী প্রাইভেট কোচিংয়ে গিয়ে নির্মলের কাছে যৌন নিপীড়নের শিকার হন।
এ ঘটনার পর অভিযুক্ত নির্মলের বিচার দাবি করে সোমবার পিরোজপুর শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন করিমুন্নেছা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
পিরোজপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. আলাউদ্দিন ভূঁইয়া জানান, গত ২২ মে যৌন নিপীড়নের ঘটনা ঘটলেও দুই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার অবহেলার কারণে সময়মতো স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি জানতে পারেনি। ঘটনার অনেক পরে, ৯ জুন, বিষয়টি সবার নজরে আসে। এই কারণে সংশ্লিষ্টদের কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়েছে।
এদিকে, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য বুধবার জেলা প্রশাসন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ইসরাত জাহানকে প্রধান করে একটি তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। এ কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কাছে প্রতিবেদন জমা দিতে নিদের্শনা দেওয়া হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন