প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দেশে দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে সর্বজনীন ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা ‘বাংলা কিউআর’। ‘এক দেশ, এক কিউআর’ নীতি বাধ্যতামূলক করার পর থেকে ক্যাশলেস লেনদেনে অভাবনীয় সাড়া মিলছে। এই গত ৮ সপ্তাহে ৩ হাজার ৫৭৮ কোটি ৭৪ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট জানাচ্ছে, গত ২৮ জুন থেকে গতকাল শনিবার পর্যন্ত সময়ে এই লেনদেন সংঘটিত হয়েছে।
বাংলা কিউআর চালুর পর বাধ্যতামূলকভাবে এর মাধ্যমে লেনদেনের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে, যেমন একই সময়ে লেনদেনের আর্থিক মূল্য বেড়েছে প্রায় তিনগুণ।
দেশে সব ধরনের কিউআর এর পরিবর্তে বাংলা কিউআর ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার পর এই প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ১ জুলাই থেকে দেশের সব প্রোপ্রাইটরশিপ প্রতিষ্ঠানে অন্যান্য কিউআর এর পরিবর্তে বাংলা কিউআর রাখার বাধ্যবাধকতা কার্যকর হয়।
তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জুলাইয়ের শুরুতে বাংলা কিউআর এর মাধ্যমে দৈনিক গড়ে ১.৭৮ লাখ লেনদেন হতো। এসব লেনদেনে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৩৭.৩৩ কোটি টাকার কেনাকাটা হতো। গত সপ্তাহে দৈনিক গড় লেনদেন বেড়ে ৩.০৩ লাখে দাঁড়িয়েছে, যেখানে একই সময়ে দৈনিক গড় লেনদেনের অর্থমূল্য বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১১০.৩৮ কোটি টাকা।
এদিকে, বাংলা কিউআর গ্রহণকারী মার্চেন্টের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেছে। গত ১ জুলাই প্রায় ১৬ লাখ মার্চেন্টের বাংলা কিউআর ছিল, বর্তমানে এ সংখ্যা ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে।
বাংলা কিউআর ব্যবহারে বেসরকারি ব্যাংকের পাশাপাশি সরকারি ব্যাংকগুলোও অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। ফলে দেশের ডিজিটাল লেনদেনের প্রসারে বাংলা কিউআর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন বলেন, ক্যাশলেস লেনদেন বাড়াতে বাংলা কিউআরকে আরও সহজ ও জনবান্ধব করার নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ১ নভেম্বর থেকে ব্যক্তি পর্যায়ে এই লেনদেন চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এজন্য সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন