প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দিন বলেছেন, সরকারের পাশাপাশি সমাজ থেকে আগ্রহী শ্রেণি এগিয়ে এলে জেনারেশন বাহিত জ্ঞানের গ্যাপ পূরণ সম্ভব। তিনি বলেন, দুর্যোগ সফলভাবে প্রশমন করতে হলে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। তিনি আরও জানান, সরকার ও সমাজ সমন্বিতভাবে কাজ করলে, বন্যা বা অন্যান্য বিপদের সময় সর্বোচ্চ সেবা প্রাপ্তি ও প্রদান নিশ্চিত হবে।
আজ রোববার নগরীর মোটেল সৈকতে ইউনিসেফের সহযোগিতায় গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের অধীন জেলা তথ্য অফিস-চট্টগ্রাম কর্তৃক আয়োজিত ‘জীবন রক্ষাকারী বার্তা প্রচার, বন্যা আক্রান্ত জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং আচরণগত পরিবর্তনের বিষয়’ শীর্ষক দিনব্যাপী ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
বিভাগীয় কমিশনার আরও বলেন, প্রযুক্তির পাশাপাশি বিভিন্ন কারণে বর্তমানে জেনারেশন বাহিত জ্ঞানের পরিমাণ অনেক কমে গেছে। পূর্ববর্তীদের কাছ থেকে অনেকাংশে আলাদা জীবনযাপন করার কারণে আমরা অনেক কিছু জানতে পারি না, যার ফলে বন্যা, খরা প্রভৃতি প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলাতে বর্তমান জেনারেশন সফল হয় না। তাঁরা মোকাবেলার উপায়ও জানে না।
অনুষ্ঠানে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবদুল জলিল অনলাইনে যুক্ত হয়ে সভাপতিত্ব করেন। এতে বক্তৃতা করেন ইউনিসেফ চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রধান মাধুরী ব্যানার্জি, বান্দরবান জেলা তথ্য অফিসার মো. আনোয়ার হোসেন, এবং চট্টগ্রাম জেলা তথ্য অফিসের পরিচালক (রুটিন দায়িত্ব) আয়েশা সিদ্দীকা। ইউনিসেফ চট্টগ্রাম ও বরিশাল অঞ্চলের এসবিসি অফিসার আবদুল জলিল সাম্প্রতিক বন্যা, ক্ষয়ক্ষতি, প্রাণহানি, এবং স্বাস্থ্য তথ্য প্রচারের বিষয়ে গবেষণালব্ধ প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।
ওরিয়েন্টেশনে চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, লামা ও পটিয়া, এই ৬টি জেলা তথ্য অফিস যোগদান করে। একইসাথে প্রত্যেক জেলা তথ্য অফিসারের নেতৃত্বে দুর্যোগে বার্তা প্রচারসহ জনসচেতনামূলক কাজ করার জন্য ৫ জন করে স্বেচ্ছাসেবীর একটি টিম অংশগ্রহণ করে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন