প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকার কেরানীগঞ্জে এক সপ্তাহের ব্যবধানে পৃথক স্থান থেকে মোট ছয়টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। অল্প সময়ের ভেতর একের পর এক মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ হচ্ছে, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং অপরাধ প্রবণ এলাকায় পর্যাপ্ত নজরদারির অভাবে এ ধরনের ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। অপরাধীরা দ্রুত গ্রেপ্তার না হওয়ায় তারা মনে করছেন, তাদের মধ্যে ভয়ভীতি কমে যাচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশি টহল আরো জোরদার করার এবং অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসার দাবি করেছেন।
রাজেন্দ্রপুর এলাকার বাসিন্দা ইয়াকুব আলী মন্তব্য করেন, ‘আমরা এখন পরিবার নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় আছি। সন্ধ্যার পর ঝিলমিল এলাকার রাস্তার দিয়ে যেতে ভয় লাগে। যেকোনো নির্জন স্থানে লাশ উদ্ধারের খবর শুনলেই আতঙ্ক কাজ করে। প্রশাসন যদি এখনই কঠোর ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে পরিস্থিতি আরো খারাপ হতে পারে।’
কেরানীগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জামিলুল হক বলেছেন, আলোচিত সব হত্যাকাণ্ডের রহস্য ইতোমধ্যে উদ্ঘাটন করা হয়েছে। খোলামোড়ার মমতাজ হত্যা, কালিন্দীর তানজিলা হত্যাকাণ্ড এবং অটোরিকশাচালক লিয়াকত আলী হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করে সংশ্লিষ্ট আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হাসিনা বেগম মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন বলে তার পরিবার জানিয়েছেন।
তিনি আরো বলেছেন, অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে এবং নজরদারি ও টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে। কোনো অপরাধীই অপরাধ করে পার পাবে না।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন