প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কানাডা ঘোষণা করেছে যে, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে বাধা এবং মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতার জন্য ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বৃদ্ধি করা হবে। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য কানাডা যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক সহযোগীদের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করার পরিকল্পনা করেছে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) এক যৌথ বিবৃতিতে কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী অনিতা আনন্দ এবং অর্থমন্ত্রী ফ্রাঁসোয়া-ফিলিপ শ্যাম্পেন জানিয়েছেন, ইরানের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ অব্যাহত রাখতে কানাডা শিল্পোন্নত দেশগুলোর জোট জি-সেভেন এবং পশ্চিমা মিত্রদের নিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
কানাডা সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রাখতে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং ফ্রান্স যে সামরিক ও কূটনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, তাতে অটোয়ার পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। এছাড়া, ওয়াশিংটনের পরিচালিত ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’-এর অধীনে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন এবং চলমান অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা বজায় রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে কানাডা।
কানাডা জানায়, ২০১০ সাল থেকে এ পর্যন্ত তারা ইরানের ৪৯২ জন প্রভাবশালী ব্যক্তি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অবরোধ এবং নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে, অটোয়া মিত্রদের সঙ্গে নিয়ে ইরানের ওপর এই চাপ আরও বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছে।
এছাড়া, কানাডা অভিযোগ করেছে যে, তেহরান গোপনে অবৈধ পারমাণবিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। তবে ইরানের দাবি, তারা কোনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কাজ করছে না এবং তাদের সব পারমাণবিক কার্যক্রম শুধুমাত্র শান্তিপূর্ণ এবং বেসামরিক উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন