প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সীমান্তবর্তী জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জে নতুন পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস যোগদানের পর থেকেই পুরো জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চিত্র বদলাতে শুরু করেছে। তাঁর কঠোর নির্দেশনা ও দূরদর্শী পদক্ষেপের ফলে জেলাজুড়ে মাদক ব্যবসা, সন্ত্রাস, চুরি ও ডাকাতির মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড অনেকটা কমে গেছে। একই সাথে থানা এলাকার দীর্ঘদিনের দালাল চক্রের দৌরাত্ম্যও বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে সাধারণ জনগণ এখন কোনো প্রকার অর্থ ছাড়াই থানা থেকে কাঙ্ক্ষিত আইনি সেবা গ্রহণ করছে। পুলিশের এই ইতিবাচক পরিবর্তনে স্থানীয় জনগণের মধ্যে স্বস্তি ও সন্তুষ্টির অনুভূতি তৈরি হয়েছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাটি সীমান্তঘেঁষা হওয়ায় এখানে বরাবরই মাদক ও চোরাচালানের প্রবণতা ছিল। তবে গৌতম কুমার বিশ্বাস নতুন এসপি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করেছেন। জেলাজুড়ে নিয়মিত বিশেষ অভিযান পরিচালনার ফলে মাদক ব্যবসায়ী ও অপরাধ চক্রের নেটওয়ার্ক অনেকটা ভেঙে পড়েছে। এছাড়া রাতের টহল বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে জেলা শহরসহ উপজেলাগুলোতে চুরি ও ডাকাতির ঘটনা উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে।
থানার পরিবেশের পরিবর্তন সাধারণ মানুষের জন্য একটি বড় স্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অতীতের অনেক কঠিন অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে জিডি, অভিযোগ কিংবা মামলা করতে গিয়ে সাধারণ মানুষের যে হয়রানি ও দালালদের খপ্পরে পড়তে হতো, তা এখন অতীতের সুরাহা হয়ে গেছে। পুলিশের এসপি গৌতম কুমার বিশ্বাসের কঠোর পদক্ষেপের কারণে থানাগুলো দালালমুক্ত হয়ে গেছে। মানুষেরা এখন কোনো প্রকার টাকা-পয়সা ছাড়াই সরাসরি ওসির সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁদের সমস্যা সমাধানের সুযোগ পাচ্ছেন।
স্থানীয় এক বাসিন্দা জানিয়েছেন, "আগে থানায় ঢুকতেই ভয় লাগত, পদে পদে দালালের খপ্পরে পড়তে হতো। কিন্তু এখন পরিবেশ সম্পূর্ণ আলাদা হয়ে গেছে। গত কয়েক দিন আগে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে গিয়েছিলাম, এক টাকারও প্রয়োজন হয়নি এবং পুলিশ অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে আমার কাজে সহযোগিতা করেছে।"
এলাকাবাসীর মতে, একজন সৎ ও কর্মঠ পুলিশ সুপারের সদিচ্ছা পুরো জেলার পরিস্থিতি পরিবর্তন করতে পারে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ তার জ্বলন্ত উদাহরণ। সাধারণ মানুর মধ্যে পুলিশ এবং পুলিশ বিভাগের দূরত্ব কমিয়ে এনে ‘জনবান্ধব পুলিশিং’ গৌতম কুমার বিশ্বাসের এই ভূমিকা সর্বত্র প্রশংসিত হচ্ছে।
স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধির চিন্তা, এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ভবিষ্যতে দেশের অন্যতম শান্ত ও নিরাপদ জেলা হিসেবে পরিণত হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন