প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেছেন, "প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামী দিনের বাংলাদেশ হবে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির একটি অনন্য উদাহরণ।" তিনি উল্লেখ করেন যে, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের রথযাত্রা এখন সব সম্প্রদায়ের মানুষের মাঝে সম্প্রীতির মেলবন্ধন সৃষ্টি করেছে।
তিনি আরও বলেন, "চট্টগ্রামের তুলসীধাম ঐতিহ্যবাহী তীর্থস্থান।" এখানকার ৩০০ বছরের প্রাচীন কেন্দ্রীয় রথযাত্রা আজকাল একটি সর্বজনীন উৎসবে রূপ নিয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকালে চট্টগ্রাম নগরের নন্দনকানন রথের পুকুর পাড় এলাকায় কেন্দ্রীয় রথযাত্রা উদযাপন কমিটির আয়োজনে রথপরিক্রমা উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথাগুলি উল্লেখ করেন।
ঋষিধাম অধিপতি ও তুলসীধামের মোহন্ত শ্রীমৎ দেবদীপানন্দ পুরী মহারাজের পৌরহিত্যে অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, "নন্দনকাননের ঐতিহাসিক রথের পুকুর পাড় আজও রথপরিক্রমার আয়োজন করে ঐতিহ্য ধরে রেখেছে।" হাজারও ভক্তের উপস্থিতি আজ আবারও প্রমাণ করেছে যে, বাংলাদেশ সত্যিকারের অসাম্প্রদায়িক চেতনা ধারণ করে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, "এই রথের পুকুর পাড় দখল করে প্রভাবশালীদের স্থাপনা গড়তে দেওয়া হবে না।" দখলদারদের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে, এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
অতিথিদের বক্তব্যে চট্টগ্রাম-৯ আসনের এমপি আবু সুফিয়ান বলেন, "একটি গোষ্ঠী নানা অজুহাতে দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়।" তবে তিনি উল্লেখ করেন যে, "বাংলাদেশের সব ধর্ম, বর্ণ ও সম্প্রদায়ের মানুষ বিএনপি’র কাছে নিরাপদ।"
কেন্দ্রীয় রথযাত্রার উদ্বোধক চট্টগ্রামস্থ ভারতীয় দূতাবাসের সহকারী হাইকমিশনার শ্রী হরিশ কুমার বলেন, "রথযাত্রা হল ভগবানের বিশেষ কৃপার প্রকাশ।" এই সময় ভগবান মন্দির থেকে বেরিয়ে এসে রাজপথে অবতীর্ণ হন। এ কারণেই রথযাত্রাকে বলা হয় সর্বজনীন করুণার উৎসব।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন- চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি দীপক কুমার পালিত।
এতে স্বাগত বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় রথযাত্রা উদযাপন কমিটির সভাপতি হিরন্ময় ধর এবং শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিধান ধর।
এ সময় অতিথিদের কেন্দ্রীয় রথযাত্রা উদযাপন কমিটির পক্ষ থেকে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।
পরে তুলসীধামের মোহন্ত মহারাজের নেতৃত্বে রথের দড়ি টেনে রথপরিক্রমা উদ্বোধন করেন অতিথিরা।
এর আগে ঢোলক বাদ্য, মঙ্গল শঙ্খ ও উলুধ্বনি দিয়ে জগন্নাথ-সুভদ্রা-বলভদ্রকে রথারোহণ করানো হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন