প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গ্রিসের দক্ষিণাঞ্চলীয় ক্রিট দ্বীপের উপকূলের কাছাকাছি অভিবাসীবাহী কয়েকটি নৌযান থেকে মোট ২০২ জনকে উদ্ধার করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। এসব উদ্ধারের মধ্যে অধিকাংশই সুদান ও বাংলাদেশের নাগরিক। এর সাথে কিছু মিসরীয় নাগরিকও উদ্ধার হয়েছে।
গ্রিক সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, মিডল ইস্ট মনিটর জানাচ্ছে, লিবিয়ার উপকূল থেকে পরপর কয়েকটি নৌযানে করে এসব অভিবাসী গ্রিসের দিকে যাত্রা করেন। মাত্র ৪৮ ঘণ্টারও কম সময়ে অন্তত ২০২ জন ক্রিটে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছেন। এই ঘটনায় দ্বীপটির কর্তৃপক্ষ ও অভ্যর্থনা কেন্দ্রগুলোর ওপর উল্লেখযোগ্য চাপ তৈরি হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার সকালে ইউরোপীয় সীমান্ত ও উপকূলরক্ষী সংস্থা ফ্রন্টেক্সের একটি উড়োজাহাজের মাধ্যমে ইয়েরাপেত্রার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের কাছে একটি নৌযান শনাক্ত করা হয়। পরে কোস্টগার্ডের একটি টহল নৌযান এবং একটি মাছ ধরার নৌকার সহায়তায় ৪০ অভিবাসীকে ইয়েরাপেত্রা বন্দরে নেয়া হয়। সেখানে তাদের নিবন্ধন ও পরিচয় যাচাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।
এর মধ্যে, বেশ কয়েক ঘণ্টা আগে আরো দুটি নৌযান থেকে ১১২ জনকে উদ্ধার করা হয়। প্রথম নৌযানে ছিলেন ৫৬ জন—যাদের মধ্যে ৩১ জন সুদানি এবং ২৫ জন বাংলাদেশি ছিল। দ্বিতীয় নৌযানে ৫৬ জন ছিল, যাদের মধ্যে ৪৭ জন বাংলাদেশি এবং ৯ জন মিসরীয় নাগরিক।
উদ্ধার হওয়া সকলকে হেরাক্লিয়ন বন্দরের একটি অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ক্রিটে অভিবাসীর সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং এই কেন্দ্রটি বর্তমানে তাদের অস্থায়ীভাবে থাকার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে।
এদিকে, একটি পৃথক ঘটনায় ১৬ বছর বয়সী দক্ষিণ সুদানের এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে গ্রিক কর্তৃপক্ষ। আগের একটি অভিযানে ইয়েরাপেত্রার দক্ষিণ-পশ্চিমে ২৮.৫ নটিক্যাল মাইল দূরে উদ্ধার হওয়া ৫০ অভিবাসীকে পাচারের সাথে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
অভিবাসীদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ওই কিশোর লিবিয়ার তবরুক থেকে গ্রিসে যাত্রার সময় নৌযানটি চালাচ্ছিল। প্রত্যেক অভিবাসীর কাছ থেকে ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ডলার পর্যন্ত নেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন