প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নভেম্বরে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট চালু করার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
শুক্রবার (১২ জুন) সকালে রাজধানীর আফতাবনগরে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কার্যালয় পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের জানান, তিনি এ বিষয়টি সম্পর্কে কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, আগামী নভেম্বরে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট চালু করা সম্ভব হবে। এ বিষয়ে লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য খুব বেশি সময় হাতে নেই, তাই সংশ্লিষ্ট সকলের সঙ্গে কাজ এগিয়ে নেয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, ক্যাপাসিটি চার্জের নামে আগের সরকার বড় ধরনের আর্থিক বোঝা রেখে গেছে। তবে নতুন সরকার চাইলেও তাৎক্ষণিকভাবে সবকিছু পরিবর্তন করতে পারে না। বিষয়গুলো আইনি প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত রয়েছে। আইন মন্ত্রণালয় এই বিষয়গুলো পর্যালোচনা করছে। রাতারাতি কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়। বিদ্যমান চুক্তিগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইকবাল হাসান মাহমুদ আরও বলেন, স্থিতিশীল বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে উৎপাদন ও সঞ্চালনের সাথে সঙ্গতি রেখে বিতরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হয়নি। এই কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সঞ্চালন সক্ষমতা সঠিক থাকলেও সরবরাহ ব্যবস্থায় ঘাটতি রয়েই গেছে। ফ্যাসিস্ট সরকার বিদ্যুৎ খাতে ব্যাপক সম্প্রসারণ করেছিল এবং প্রতিটি ঘরের কাছে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ ছিল। কিন্তু কার্যকর সমন্বয়ের বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।
অপরিকল্পিতভাবে বিতরণ লাইন স্থাপনের কারণে উৎপাদন ও সঞ্চালন স্বাভাবিক থাকলেও অনেক এলাকায় দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎহীন থাকতে হচ্ছে। এর মূল কারণ বিতরণ লাইনের সমস্যা। এই সমস্যাগুলোর সমাধানে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির (পিজিসিবি) সঙ্গে বৈঠক করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন