প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের এয়ার ইন্ডিয়ার এক পাইলটের শরীরে গাঁজার উপাদান শনাক্ত হওয়ার খবর রাজ্যব্যাপী তোলপাড় শুরু করেছে।
এই ঘটনাটি ঘটে মাঝ আকাশে, যেখানে বিমানটি হঠাৎ প্রায় ৩০০ ফুট নিচে নেমে যায়। এমন ঘটনার ফলে ১৩জন যাত্রী এবং চারজন কর্মী আহত হন। পরে বিমানটি নিরাপদে দিল্লিতে অবতরণ করে।
এরপর পাইলটদের মানসিক প্রভাব ফেলে এমন মাদক গ্রহণের পরীক্ষা করা হয়। ভারতের বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রণালয় জানায়, প্রধান পাইলটের প্রাথমিক পরীক্ষার ফলাফলে আরও নিশ্চিত পরীক্ষার প্রয়োজন হয়। তদন্ত চলাকালীন কোনো পাইলটকে বিমান পরিচালনার দায়িত্বে রাখা হয়নি।
বিভিন্ন গণমাধ্যমের সূত্র অনুযায়ী, পরবর্তী পরীক্ষায় প্রধান পাইলটের শরীরে গাঁজার উপাদান পাওয়া গিয়েছে, কিন্তু এয়ার ইন্ডিয়া এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে এটি নিশ্চিত করেনি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, গাঁজা শনাক্ত হওয়া মানেই এটি প্রমাণ করে যে ওই ব্যক্তি পরীক্ষার কয়েক ঘণ্টা আগে বা বিমান চালানোর সময় নেশাগ্রস্ত ছিলেন—এমনটি বলা সম্ভব নয়।
গবেষণা থেকে প্রমাণিত হয়েছে যে, গাঁজা গ্রহণের পর মানুষের মনোযোগ, সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা এবং শরীরের সূক্ষ্ম নিয়ন্ত্রণ কমে যেতে পারে। কিছু চিকিৎসা গবেষণায় দেখা গেছে, পাইলটরা গাঁজা গ্রহণ করার পরে উচ্চতা নিয়ন্ত্রণ এবং অবতরণের ক্ষেত্রে ভুল করে। কিছু ক্ষেত্রে এর প্রভাব ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।
তবে গাঁজার উপস্থিতি কতদিন পর্যন্ত শরীরে দৃশ্যমান থাকে, তা নির্ভর করে গ্রহণের পরিমাণ, কীভাবে গ্রহণ করা হয়েছে এবং ব্যক্তির শারীরিক অবস্থার উপরে। ফলে তদন্ত চলছে, বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিতভাবে জানাতে পারছেন না ঘটনার সময় পাইলট নেশাগ্রস্ত ছিলেন কি না।
বিশেষজ্ঞদের مطابق, তদন্তে তিনটি মূল প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হবে—পাইলট গাঁজা গ্রহণ করেছিলেন কি না, বিমান চালানোর সময় তিনি এর প্রভাবে ছিলেন কি না এবং ওই প্রভাবটি বিমানটির আকস্মিক নিচে নেমে যাওয়া ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত কি না।
এয়ার ইন্ডিয়া সব পাইলটের মাদক পরীক্ষা করার উদ্যোগ নিয়েছে। বর্তমানে নিয়ম অনুযায়ী একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক পাইলটের ওপর আকস্মিক পরীক্ষা করা হলেও, এবার তা আরো বিস্তৃত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন