প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
টানা কয়েকদিনের ভারী বৃষ্টির ফলে কক্সবাজারের ২০টি গ্রামের নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে চকরিয়া উপজেলার কাকারা, কৈয়ারবিল, লক্ষারচর ও ফাশিয়াখালী ইউনিয়ন, মাতামুহুরি উপজেলার পুরু বড় ভেওলা, বিএমচর ইউনিয়ন, রামু উপজেলার গর্জনিয়া, কচ্ছপিয়া, রাজারকুল ইউনিয়নসহ অন্যান্য বিভিন্ন গ্রামে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। মাতামুহুরি ও বাকখালী নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পাহাড়ি ঢলে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হওয়ার কারণে জেলার অন্তত লক্ষাধিক মানুষ দুর্ভোগের শিকার হয়েছে।
ভারী বর্ষণের কারণে গত বুধবার কক্সবাজারের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। চট্টগ্রামের ষোলোশহর, বোয়ালখালী ও পটিয়া এলাকায় রেল লাইনের ওপর দিয়ে ঢলের পানি প্রবাহিত হওয়ার কারণে কক্সবাজারের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে পড়েছে।
এদিকে, টানা বর্ষণের কারণে পাহাড় ধসে যাওয়ার শঙ্কা বেড়ে গেছে। ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস থাকার কারণে দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ঢলের পানিতে ভেসে গিয়ে একটি শিশুর মৃত্যু ঘটেছে।
কক্সবাজার আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, ভোর ৬টা নাগাদ গত ২৪ ঘণ্টায় ৬৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা মঙ্গলবার ভোর ৬টা পর্যন্ত ছিল ১২৯ মিলিমিটার এবং তার আগের দিন ১৫০ মিলিমিটার। তবে আরও দুইদিন অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। কক্সবাজারের সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নান জানিয়েছেন, অতিবৃষ্টির কারণে এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। দুর্যোগ প্রবণ এলাকা থেকে মানুষকে সরে যেতে মাইকিং করা হচ্ছে। নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার নিচে অবস্থান করছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন