প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে মঙ্গলবার রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে আলোচনা শুরুর আগে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল আলাদা আলাদাভাবে বিক্ষোভ মিছিল করেছে।
তারা নিজেদের অবস্থান তুলে ধরতেই এসব কর্মসূচি পালন করেছে।
ভেনেজুয়েলায় রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে আলোচনার শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
চলতি মাসের শুরুতেই অন্তর্বর্তী সরকার ও সাবেক বিরোধী আইনপ্রণেতাদের একটি দল যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে ‘গণতন্ত্র শক্তিশালী করার’ লক্ষ্যে একটি কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করে।
মঙ্গলবার রাজধানীর রাস্তায় বিক্ষোভকারী বোমপন্থিরা দাবি করেন, অন্তর্বর্তী নেতা ডেলসি রদ্রিগেজ ‘প্রচণ্ড চাপের মধ্যে থেকে আলোচনা’ করতে বসছেন।
অন্যদিকে, নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী মারিয়া কোরিনা মাচাদোর সমর্থকেরা প্রকৃত রাজনৈতিক পরিবর্তন নিশ্চিত করার জন্য নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন।
গত জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার পর থেকে রদ্রিগেজ ওয়াশিংটনের নজরদারির মধ্যে দেশ পরিচালনা করছেন।
প্রবাসে থাকা বিরোধী নেতা মাচাদো শনিবার শুরু হতে যাওয়া আলোচনায় অংশ নেবেন না বলে জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার তার প্রায় ৩০০ সমর্থক দ্রুত নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়েছেন।
মাচাদোর দলের মুখপাত্র হেনরি আলভিয়ারেজ বলেন, ‘রাজনৈতিক পরিবর্তন আনতে হলে নির্বাচনের পথেই যেতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা হওয়ার দিন থেকেই পরিবর্তন প্রক্রিয়া শুরু হবে।’
এদিকে, পার্লামেন্ট প্রধান হোর্হে রদ্রিগেজ—যিনি অন্তর্বর্তী নেতার ভাই—এবং বিরোধী নেতা দিনোরাহ ফিগুয়েরার নেতৃত্বে অনুষ্ঠিতব্য সংলাপ নিয়ে অনেকেই সংশয় প্রকাশ করেছেন।
৬৪ বছর বয়সী আইনজীবী হোসে ফুয়েনমায়র বলেন, ‘আমরা আর সংলাপে বিশ্বাস করি না, আমরা এখন পদক্ষেপে বিশ্বাস করি।’
তিনি বলেন, ‘এই সরকার সব সময় সময়ক্ষেপণ করতে চায়—এটাই তারা দেখিয়েছে।’
অন্যদিকে প্রয়াত বামপন্থী নেতা হুগো সাভেজের সমর্থকেরা আসন্ন আলোচনায় সরকারের অংশগ্রহণের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের অতিরিক্ত প্রভাবের অভিযোগ তুলেছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন