প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সোমালিয়ায় ভারী বৃষ্টিপাত ও নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে আগামী তিন মাসে প্রায় ৮ লাখ ৭৪ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) জানায়, অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে সম্ভাব্য এই বাস্তুচ্যুতির ৯২ শতাংশের জন্য বন্যা দায়ী হতে পারে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) প্রকাশিত আইওএমের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সংস্থাটি এবং ডেনিশ রিফিউজি কাউন্সিলের যৌথ বিশ্লেষণে ৮ লাখ ৭৪ হাজার ৩১৯ মানুষের বাস্তুচ্যুতির আশঙ্কা করা হয়েছে।
সোমালিয়া এমন একটি সময়ে নতুন দুর্যোগের ঝুঁকিতে পড়েছে, যখন দেশটির বহু মানুষ দীর্ঘদিনের খরা এবং বারবার বাস্তুচ্যুত হওয়ার সংকটে রয়েছেন। পূর্বাভাস অনুযায়ী, বৃষ্টিপাত স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি হতে পারে। এল নিনোর প্রভাবও পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
আইওএমের তথ্যানুযায়ী, বেলেদওয়েইন ও গালকায়ো এলাকায় বাস্তুচ্যুতির ঝুঁকি বেশি রয়েছে। এসব অঞ্চলে যথাক্রমে প্রায় দুই লাখ ২৯ হাজার এবং ৮২ হাজার মানুষ ঝুঁকিতে রয়েছে।
বন্যার কারণে ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি পানির উৎসও দূষিত হতে পারে। স্বাস্থ্যসেবা ও জরুরি সহায়তা কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে। এর ফলে আগে থেকেই সংকটে থাকা জনগণের দুর্ভোগ আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বন্যার প্রস্তুতি ও মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় এক কোটি ৬৬ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলারের মাত্র ১৪ দশমিক ৪ শতাংশ অর্থ আইওএম পেয়েছে। সংস্থাটি আগাম সতর্কতা, নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার পথ প্রস্তুত এবং জরুরি আশ্রয়, বিশুদ্ধ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন