০৫:৫৫ পি.এম
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তারিখ বা শিডিউল এখনও ঠিক করা হয়নি, এমনটি জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। তিনি বলেন, ভোটার তালিকা পাওয়ার পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তারিখ বা তফসিল ঘোষণা করা হবে।
আজ সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন। তিনি আরও জানান, পার্লামেন্ট সেক্রেটারিয়েটে ভোটার তালিকার জন্য অনুরোধ পাঠানো হয়েছে।
আখতার আহমেদ উল্লেখ করেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আচরণবিধি এবং আইন সংশোধনের কিছু প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে। এসবে দ্বৈত নাগরিকত্ব ও ঋণখেলাপি সংক্রান্ত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী কাল রাজশাহী সফরে, জনসভায় বক্তব্য দেবেন
এই খসড়া আইন মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠানো হবে।
নির্বাচনের সময়সীমার ব্যাপারে তিনি বলেন, সাধারণত তফসিল ঘোষণা থেকে নির্বাচনের তারিখ পর্যন্ত ৪৫ দিনের ব্যবধান থাকে। ভোটার তালিকা হালনাগাদ ও অন্যান্য প্রস্তুতির জন্য একটি ‘ব্যাকওয়ার্ড ক্যালকুলেশন’ বা উল্টো গণনা করে সময় নির্ধারণ করা হয়।
তিনি বলেন, আমাদের প্রয়োজনীয় ইকুইপমেন্ট এবং ভোটকেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে। ভোটার তালিকা হালনাগাদের কাট-অফ পয়েন্ট প্রয়োজনে বাড়ানো হতে পারে। তিনি জানান, প্রস্তুতি নিয়েই আমরা আছি যাতে ঘোষণা আসার সঙ্গে সঙ্গে কাজ শুরু করা যায়।
এই নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব জানান, এনআইডি সংশোধনের জন্য এখনও কোনো সুনির্দিষ্ট এসওপি চূড়ান্ত হয়নি।
আরও পড়ুন: অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি এড়াতে ফায়ার সার্ভিসের ১৩টি নির্দেশনা
রাজনৈতিক দলগুলোর অডিট রিপোর্ট সম্পর্কে তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর অডিট রিপোর্ট দেওয়ার শেষ সময় ছিল ৩১ জুলাই। যেহেতু ৩১ জুলাই শুক্রবার ছিল, তাই ২ আগস্ট পর্যন্ত রিপোর্ট গ্রহণ করা হয়েছে।
আমাদের ৫৯টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মধ্যে ৩৮টি দল তাদের অডিট রিপোর্ট জমা দিয়েছে। তবে ১৩টি দল সময় বৃদ্ধির আবেদন করেছে এবং আটটি দল কোনো সাড়া দেয়নি। যারা সাড়া দেয়নি, তাদের আইন অনুযায়ী নোটিশ দেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন