প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাজ্যের সরকার আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেছে, যারা সেখানে পড়াশোনা করতে ইচ্ছুক। আগামী ৩০ নভেম্বর থেকে স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়ার নিয়মে কিছু পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে। সহজভাবে বলা যায়, যুক্তরাজ্যে অবস্থান করতে হলে শিক্ষার্থীদের পকেটে আগের তুলনায় কিছুটা বেশি অর্থ থাকতে হবে।
কী পরিবর্তন আসছে এবং শিক্ষার্থীদের জন্য এর প্রভাব কী হবে, তা এক নজরে দেখা যাক:
খরচ বাড়ল লন্ডনে
যদি আপনি লন্ডনে পড়াশোনা করার পরিকল্পনা করে থাকেন, তাহলে জীবনযাত্রার খরচ হিসেবে প্রতি মাসে ১,৫২৯ পাউন্ডের পরিবর্তে এখন থেকে ১,৫৭০ পাউন্ড দেখাতে হবে। নিয়ম অনুযায়ী সাধারণত সর্বোচ্চ ৯ মাসের হিসাব দেখাতে হয়। ফলে আগের ১৩,৭৬১ পাউন্ডের পরিবর্তে এখন দেখাতে হবে ১৪,১৮০ পাউন্ড। এর ফলে বছরে আপনার খরচ বেড়ে যাচ্ছে ৩৬৯ পাউন্ড।
লন্ডনের বাইরেও বেড়েছে খরচ
লন্ডনের বাইরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কম খরচে পড়াশোনা করতে চাইলে, সেখানে খরচ কিছুটা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতদিন প্রতি মাসে ১,১৭১ পাউন্ড দেখাতে হতো, যা বেড়ে এখন ১,২০৩ পাউন্ড হবে। ৯ মাসের হিসাবে এই অঙ্কটি ১০,৫৩৯ পাউন্ড থেকে বেড়ে ১০,৮২৭ পাউন্ডে পৌঁছাবে। অর্থাৎ, লন্ডনের বাইরের শিক্ষার্থীদের জন্য বছরে অতিরিক্ত ২৮৮ পাউন্ড বেশি দেখাতে হবে।
টাকার হিসাবটা কীভাবে করবেন?
এখানে একটি বিষয় পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করা প্রয়োজন—জীবনযাত্রার এই বাড়তি খরচ আপনার ইউনিভার্সিটির টিউশন ফির সাথে যুক্ত নয়। টিউশন ফি আলাদাভাবে দিতে হবে। এছাড়া ভিসার আবেদন করার ফি এবং হেলথ সারচার্জের খরচও রয়েছে। তাই যুক্তরাজ্যে যাওয়ার মোট বাজেট নির্ধারণের সময় এই সবগুলো খরচ আলাদাভাবে বিবেচনা করতে হবে।
টাকা দেখানোর নিয়মকানুন
আপনি যদি আগামী ৩০ নভেম্বর কিংবা তার পরে ভিসার জন্য আবেদন করেন, তাহলে নতুন এই বর্ধিত নিয়মটি আপনার জন্য প্রযোজ্য হবে। ভিসার আবেদন করার আগে আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে এই পুরো অর্থ টানা ২৮ দিন ধরে ঠিকঠাক থাকতে হবে।
টাকা কার অ্যাকাউন্টে থাকতে হবে?
চিন্তার কিছু নেই, এই অর্থ আপনার নিজের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে থাকতে পারে, অথবা আপনার বাবা-মায়ের অ্যাকাউন্টেও থাকতে পারে। ব্যাংক ব্যালেন্স ছাড়াও, আপনি চাইলে স্টুডেন্ট লোন বা অফিসিয়াল কোনো স্পনসরশিপের কাগজপত্রের ওপর নির্ভর করতে পারেন। তবে, আপনি যদি ইতোমধ্যে বৈধভাবে অন্তত এক বছর ধরে যুক্তরাজ্যে বসবাস করে থাকেন, তাহলে নতুন করে এই আর্থিক প্রমাণ দেখানোর প্রয়োজন সাধারণত হবে না।
সূত্র: দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন