প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
শিশুদের জন্য টিকটকের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের বারবার সতর্ক করেছিলেন খোদ কর্মীরা। অভিযোগ উঠেছে যে, কর্মীরা এসব বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেও টিকটক কর্তাব্যক্তিরা তাতে তেমন গুরুত্ব দেননি।
জনপ্রিয় এই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটির বিরুদ্ধে সম্প্রতি বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
প্রযুক্তি বিষয়ক সংবাদমাধ্যম ‘টেকক্রাঞ্চ’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, টিকটকের কর্মীরা প্ল্যাটফর্মটিতে শিশুদের যৌন শোষণ এবং আত্মহত্যার মতো সংবেদনশীল কনটেন্ট প্রকাশ পাওয়ার ঝুঁকি নিয়ে একাধিকবার সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তারা এমন গুরুতর আশঙ্কার কথাও জানিয়েছিলেন যে, প্ল্যাটফর্মে অপ্রাপ্তবয়স্কদের ছবি বা ভিডিও অর্থের বিনিময়ে যৌন উদ্দেশ্যে কেনাবেচা হতে পারে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, ব্যবহারকারীদের সঠিক বয়স নির্ধারণের জন্য টিকটক কোনো নির্দিষ্ট জরিপ পরিচালনা করেনি। কারণ, এই জরিপের ফলাফল প্রকাশ পেলে তা যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ট্রেড কমিশন (এফটিসি)-এর সঙ্গে শেয়ার করতে হতে পারত, যা নিয়ে কোম্পানির মধ্যে এক ধরনের অনীহা ছিল।
শিশুদের সুরক্ষার বিষয়টি অস্বীকার না করে টিকটক জানিয়েছে যে, তারা ট্রাস্ট অ্যান্ড সেফটি (নিরাপত্তা ও আস্থা) খাতে হাজার হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগ করেছে। এ ছাড়া, অভিভাবকদের জন্য ‘ফ্যামিলি পেয়ারিং’ নামের একটি ফিচার রয়েছে, যার মাধ্যমে বাবা-মায়েরা তাদের কিশোর বয়সি সন্তানদের টিকটক ব্যবহারের অভিজ্ঞতা কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন।
তবে এই সমস্ত পদক্ষেপের পরেও শেষ রক্ষা হয়নি।
শিশু সুরক্ষায় ব্যর্থতা এবং মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতির অভিযোগে টিকটকের পাশাপাশি মেটা, গুগল ও স্ন্যাপের মতো বৃহৎ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আদালতে শত শত মামলা একত্রিত করে বিচার প্রক্রিয়া চলছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন