প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গানভর ইউএসএ এলএলসি থেকে সরকার-টু-সরকার (জিটুজি) পদ্ধতিতে ১৩ বছরের জন্য তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির প্রস্তাবকে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।
এই প্রস্তাব অনুযায়ী, জিটুজি পর্যায়ে মোট ৭৮ কার্গো এলএনজি আমদানি করা হবে। বর্তমানে বাজারে এই এলএনজির দাম নির্ধারিত হয়েছে ৭১ হাজার ৪৯৫ কোটি টাকা। প্রতি বছর প্রতিষ্ঠানটি থেকে ৬ কার্গো এলএনজি আমদানি করা হবে। ২০২৬ সালে শুরু করে ২০৩৯ সালের মধ্যে এই এলএনজি আমদানি কার্যক্রম চলবে।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে কাতার, ওমান, যুক্তরাষ্ট্র এবং সৌদি আরবের পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের সাথে মোট সাতটি জিটুজি চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ এলএনজি আমদানিতে রয়েছে। তবে বিদ্যমান গ্যাসের ঘাটতি এবং ভবিষ্যতের বাড়তি চাহিদা বিবেচনায় দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির পাশাপাশি স্বল্পমেয়াদি ভিত্তিতে অতিরিক্ত এলএনজি আমদানি করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
এর অংশ হিসেবে গানভর ইউএসএ এলএলসি ২০২৬ সাল থেকে ২০৩৯ সাল পর্যন্ত ১৩ বছরের মেয়াদে প্রতি বছর ছয়টি এলএনজি কার্গো সরবরাহ প্রস্তাব দিয়েছে। এই প্রস্তাব জিটুজি কাঠামোর আওতায় চূড়ান্ত চুক্তির জন্য প্রক্রিয়াকরণের নীতিগত অনুমোদন ঘোষণা করা হয়েছে।
বৈঠকে উত্থাপিত প্রস্তাব অনুসারে, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করবে এবং পেট্রোবাংলা চুক্তি কার্যকর করবে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, দীর্ঘমেয়াদি সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হলে আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতার মধ্যেও দেশে গ্যাস সরবরাহে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা সহজ হবে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্প খাতে জ্বালানির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে এই ধরনের চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন