প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন জানিয়েছেন, বিএনপি বা এর অঙ্গসংগঠনের কোনো সদস্য জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সাথে কোনো ধরনের ঝামেলায় জড়াননি।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘কুষ্টিয়ার লালন শাহের মাজার থেকে ফিরে আসার সময় এনসিপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে কতিপয় ব্যক্তির বাকবিতণ্ডা ঘটে। এর ফলে একটি গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার সাথে কুষ্টিয়া বিএনপির নেতাকর্মীদের কোনো সম্পর্ক নেই।’
রোববার (৪ অক্টোবর) রাতে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই দাবি করেন।
পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী কুষ্টিয়ায় ছিলেন এবং বিভিন্ন স্থানে ঘোরাঘুরি করেছেন। বিএনপি বা অঙ্গসংগঠনের কোনো সদস্য তার সঙ্গে ঝামেলায় জড়াননি। আজ (৪ অক্টোবর) রাতে তিনি লালন শাহের মাজারে গিয়েছিলেন এবং সেখানে এনসিপির নেতাকর্মীরাও তার সাথে ছিলেন। তারা মাজারে অবস্থানরত পাগলদের সঙ্গে কিছু সময় কাটান। ফিরে আসার সময় এনসিপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে কতিপয় ব্যক্তির বাকবিতণ্ডা ঘটে এবং একটি গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার সাথে কুষ্টিয়া বিএনপির নেতাকর্মীদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
তিনি আরো জানান, কুষ্টিয়ার স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের এবং বিএনপির নেতাদের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করেছেন। এই বিষয়টি কারো নখদর্পণে ছিল না। বরং নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী যে লালন শাহের মাজারে গিয়েছিলেন, সেটিও প্রশাসনের কাউকে অবহিত করেননি। একজন নেতা প্রশাসনকে অবহিত না করে যত্রতত্র চলাফেরা করতে পারেন?
ঘটনার পর পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। তবে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পুলিশি নিরাপত্তা নিয়ে দ্রুত গাড়ি পরিবর্তন করে স্থান ত্যাগ করেন। ঝিনাইদহের ঘটনায় তিনি সঙ্গে সঙ্গে থানায় চলে গেলেও কুষ্টিয়ায় কেন পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে দ্রুত চলে গেলেন, এ নিয়ে সন্দেহ রয়ে যায়।
প্রসঙ্গত, রোববার (৪ অক্টোবর) সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালীর ছেঁউড়িয়ায় লালন শাহের মাজার প্রাঙ্গণে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা ও তার গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় মাজার প্রাঙ্গণে কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে রাত ৮টার দিকে পুলিশ ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের সহায়তায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী মাজার প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন। এরপর তিনি কুমারখালী থানার উদ্দেশে এ ঘটনায় এজাহার দিতে রওনা হন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন